গাইবান্ধায় নিজ বাড়িতে এক ব্যক্তিকে গলাকেটে হত্যা | চ্যানেল আই অনলাইন

গাইবান্ধায় নিজ বাড়িতে এক ব্যক্তিকে গলাকেটে হত্যা | চ্যানেল আই অনলাইন

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে শাহজালাল (৫২) নামের এক কৃষকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১২ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কঞ্চিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহজালাল ওই গ্রামের মৃত নিয়ামত উল্লার ছেলে।

পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি নিহতের পরিবারের।

শাহজালালের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ে শাহজালাল। স্ত্রী ঘরে ও শাহজালাল বারান্দার আলাদা কক্ষে (টিনের ঘড়ে) ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টার দিকে গোঙরানোর শব্দ পান তার স্ত্রী গোলেদা বেগম। পরে বারান্দার কক্ষে স্বামীকে গলাকাটা অবস্থায় দেখতে পান তিনি। এসময় গলাকাটায় হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি মরদেহের পাশেই পড়েছিল। পরে স্থানীয়দের খবরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফুলছড়ি থানা পুলিশ।

নিহত শাহজালালের ছেলে অটোচালক পাঞ্জু মিয়া বলেন, আমার জ্যাঠাতো ভাই গোলাম হোসেন আমার বাবাকে খুন করে পালিয়েছে। পালানোর সময় আমার মা তাকে দেখেছে। গোলাম হোসেন সব সময় তার পরিবারে অশান্তি করত, তার বউকে প্রচন্ড মারধর করত। সেটা নিয়ে আমরা বাধা দিতাম। ভাই হিসেবে আমার বাবা প্রতিবাদ করতেন। সর্বশেষ কোদাল দিয়ে ওর বউকে মারধর করার কারণে ৫ মাস আগে সে (গোলামের বউ) বাবার বাড়ি গিয়ে আর আসেনি, এখন ঢাকায় থাকে। সেই ক্ষোভেই আমার বাবাকে খুন করেছে গোলাম হোসেন।

কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আজাদ মিয়া বলেন, গত ৫ মাস আগে পরিবার ও স্থানীয়রাসহ আমরা গোলামের বউকে নিরাপত্তার স্বার্থে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেই। বউকে অনেক মারধর করত গোলাম। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসেছে, তারা তদন্ত করছে বলে জানান তিনি।

ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, হত্যায় ব্যবহৃতটি ছুরিটি মরদেহের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বারান্দার একটি রুমের পাটাতনের নিচের অংশ খুলে রুমের ভেতরে ঢুকে গলাকেটে খুন করা হয় শাহজালালকে।

Scroll to Top