প্রেমিক থেকে ‘গোপন এজেন্ট’
অবাক করার মতো বিষয়—গ্রেপ্তারের পরও মুরহেড তাঁদের জামিন করান এবং একই বাড়িতে থাকতে থাকেন। তথ্যচিত্রে তিনি জানান, প্রায় ৯ মাস তিনি আন্ডারকভার থেকে পুলিশের জন্য প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন।
রেকর্ডিং করেছেন, তথ্য জোগাড় করেছেন। কিন্তু এর বিনিময়ে তিনি পাননি যথেষ্ট মানসিক সহায়তা। বরং তাঁকে বলা হয়েছিল—সহযোগিতা না করলে তিনিও আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন।
বিচার, সাজা ও নতুন জীবন
তিন বছর পর শুরু হয় বিচার। রবার্ট ম্যাককেলার হত্যাকাণ্ড আড়াল করার দায়ে ৫ বছর ৩ মাস কারাদণ্ড পান। অ্যালেক্সান্ডার ম্যাককেলার দোষ স্বীকার করে ১২ বছরের সাজা পান।
পার্সন্সের পরিবার জানায়, ‘আমরা কখনোই তাদের ক্ষমা করব না। তারা আমাদের প্রিয় মানুষটিকে কেড়ে নিয়েছে।’ অন্যদিকে ম্যাককেলারের আইনজীবী বলেন, তিনি তাঁর প্রাক্তন বাগ্দত্তার ওপর কোনো ক্ষোভ পোষণ করেন না।
‘এখন আমি আবার বাঁচতে শিখছি’
সবকিছু পেরিয়ে এখন নতুন করে জীবন শুরু করছেন ক্যারোলিন মুরহেড। তিনি বলেন, ‘আমি আমার জীবনকে আবার গড়ে তুলতে কঠোর পরিশ্রম করেছি। এখন আমি যথেষ্ট শক্ত হয়েছি, তাই আমার গল্প বলতে পারছি।’
মুরহেড আরও যোগ করেন, ‘আমি ভেবেছিলাম বিচারব্যবস্থা আমাকে সুরক্ষা দেবে। কিন্তু বাস্তবে তা পাইনি। আমি চাই, ভবিষ্যতে ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের জন্য আরও ভালো সুরক্ষা নিশ্চিত হোক—এবং মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়।’
টাইম অবলম্বনে


