খামেনির সিদ্ধান্ত: যুদ্ধ বা গুপ্তহত্যার শিকার হলে ইরানের নেতৃত্ব দেবেন জাতীয় নিরাপত্তাপ্রধান

খামেনির সিদ্ধান্ত: যুদ্ধ বা গুপ্তহত্যার শিকার হলে ইরানের নেতৃত্ব দেবেন জাতীয় নিরাপত্তাপ্রধান

উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, কূটনীতিক ও সামরিক কমান্ডারদের বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, খামেনির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে বা তিনি নিহত হলে একদল ঘনিষ্ঠ বিশ্বাসভাজনকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের হামলা কিংবা তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব গুপ্তহত্যার শিকার হলে ইরানের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে খামেনি যেসব ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক ও সামরিক সহযোগীকে দায়িত্ব দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে, আলী লারিজানি তাঁদের মধ্যে অন্যতম।

আলী লারিজানি ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান। গত আগস্টে এই নিরাপত্তাপ্রধানকে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি নিয়োগ দেওয়া হয়। মূলত এই কাউন্সিল দেশটির নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি–সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ক্ষমতা রাখে।

গত বছর জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিন ধরে চলা সংঘাতের সময় খামেনি তাঁর সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে তিনজনের নাম ঘোষণা করেছিলেন। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লারিজানি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার দৌড়ে নেই বললে চলে। কারণ, এই পদের জন্য জ্যেষ্ঠ শিয়া আলেম হওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব যদি পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে দেশ পরিচালনার জন্য যাঁরা যোগ্য প্রার্থী, তিনি তাঁদের অন্যতম।

Scroll to Top