অবশ্য মস্কোর দাবি, রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামোতে ইউক্রেনীয় হামলার জবাবে তারা কিয়েভের সামরিক কারখানায় এই হামলা চালিয়েছে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য রাশিয়া ‘কিয়েভ সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করা বজায় রাখবে’।
অন্যদিকে, রাশিয়ার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইউক্রেন অভিযোগ করেছে, মস্কো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বেসামরিক এলাকাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। তারা আরও বলেছে, আক্রমণকারী দেশ আর আত্মরক্ষাকারী দেশকে এক করে দেখা ভুল হবে।
কিয়েভ সামরিক প্রশাসনের প্রধান তৈমুর তকাচেনকো বলেন, হতাহতদের একটি বড় অংশই শিশু। বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে তিনি বলেন, ‘শত্রুপক্ষ আবারও জেনেশুনে আবাসিক এলাকাগুলোকে নিশানা করছে এবং সাধারণ মানুষকে হত্যা করছে।’
কিয়েভের মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত রাতে ৪ হাজার ৫০০ শিশুসহ প্রায় ৫২ হাজার ৫০০ মানুষ মাটির নিচের স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটিই সেখানে সর্বোচ্চ আশ্রয়ের রেকর্ড।
হামলার শিকার হওয়া স্থানগুলোর মধ্যে কিয়েভের দক্ষিণ-পূর্বের দারনিৎস্কি এলাকার একটি বহুতল আবাসিক ভবন রয়েছে। সেখানে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

