
কিউবা, ১৫ ফেব্রুয়ারি – কিউবার রাজধানী হাভানার একটি প্রধান তেল শোধনাগারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার
হাভানার ‘নিকো লোপেজ’ শোধনাগারে এই আগুনের সূত্রপাত হয় যা দেশটির চলমান জ্বালানি সংকটকে আরও ঘনীভূত করার শঙ্কা জাগিয়েছিল।
তবে দমকল কর্মীদের তৎপরতায় দ্রুতই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে শোধনাগারটির কার্যক্রম বর্তমানে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। কিউবা তার মোট জ্বালানি চাহিদার মাত্র এক তৃতীয়াংশ অভ্যন্তরীণভাবে উৎপাদন করতে সক্ষম এবং বাকি অংশের জন্য সম্পূর্ণভাবে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ হওয়া এবং কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি তীব্র জ্বালানি সংকটে ধুঁকছে। জ্বালানির অভাবে দেশটিতে দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না যার ফলে সাধারণ জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গণপরিবহন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতালের জরুরি চিকিৎসাসেবাও ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারি কর্মীদের সপ্তাহে মাত্র চার দিন কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে যে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে কিউবায় বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। মেক্সিকো থেকে দুটি সাহায্যকারী জাহাজ এলেও তা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। কিউবার সরকার অভিযোগ করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে তেল সরবরাহকারী দেশগুলোকে কিউবায় তেল না পাঠানোর জন্য চাপ দিচ্ছে যা তারা জনগণের ওপর অমানবিক শাস্তি হিসেবে অভিহিত করেছে।
এ এম/ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬





