স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালের প্রথমার্ধে চেনা রূপে দেখা যায়নি ফ্রান্সকে। দখলের লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকার পাশাপাশি বড় আক্রমণও করতে পারেনি খুব। অন্যদিকে পেনাল্টি পেয়ে লিড আদায় করে নিয়েছে স্পেন। স্পট কিক থেকে মিকেল ওয়েরজাবালের রেকর্ড গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে স্প্যানিশরা।
ডালাসে ম্যাচের শুরু থেকেই জমে ওঠে লড়াই। দুদলই একে অপরের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সুযোগ তৈরির চেষ্টা করেছে। ম্যাচের ১০ মিনিটে ফ্রান্সের বক্সের কাছাকাছি জায়গায় ফ্রি-কিক পায় স্পেন। দানি ওলমোকে ফাউল করে স্পেনকে এই ফ্রি–কিক উপহার দিয়েছেন আদ্রিয়েন রাবিওত। তবে কাজে লাগাতে পারেনি স্প্যানিশরা।
১৬ মিনিটে স্পেনের রক্ষণে ভয় ধরান উসমানে ডেম্বেলে-কাইলিয়ান এমবাপে জুটি। নিজেদের রক্ষণের ডান পাশ থেকে দুর্দান্ত লং বল দেন ডেম্বেলে। দারুণ গতিতে এগিয়ে গিয়ে সেটি নিয়ন্ত্রণে নেন এমবাপে। পরে তিন ডিফেন্ডারের সঙ্গে লড়াই করে ডি-বক্সেও ঢুকে যান ফ্রান্স অধিনায়ক। তবে শেষ পর্যন্ত শট করতে পারলেন না। অন্য পাশে মাইকেল ওলিসে বল পেলেও তার ক্রস কর্নারের বিনিময় ঠেকায় স্পেন।
২০ মিনিটে ফ্রান্সের বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হন ইয়ামাল, বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ইয়ামালের পায়ে জোরে আঘাত করেন লুকাস ডিগনে। পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট কিকে গোল করে স্পেনকে লিড এনে দেন মিকেল ওয়েরজাবাল। এই গোলের মাধ্যমে এক মৌসুমে স্পেনের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েন ওয়েরজাবাল। ২০২৫-২৬ মৌসুমে তার গোলসংখ্যা এখন ১৪। আগের রেকর্ডটি ছিল ডেভিড ভিয়ার, ২০০৮-০৯ মৌসুমে ১৩ গোল করেছিলেন।
পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচের ৩০ মিনিটে রক্ষণভাগের অতন্দ্রপ্রহরী উইলিয়াম সালিবাকে হারায় ফ্রান্স।



