রাজধানীর জাতীয় স্টেডিয়াম সংলগ্ন বায়তুল মোকাররম এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় মানুষের একটি পা ও বাহু থেকে বিচ্ছিন্ন দুটি হাত। এরপরই পুলিশ কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে আরও একটি পা উদ্ধার করে।
হত্যাকাণ্ডের পর মানবদেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করা সবগুলোই অঙ্গ একটি কালো রঙের পলিথিন ব্যাগে মোড়ানো ছিল।
সকালের দিকে উদ্ধার হওয়া খণ্ডিত হাতের আঙ্গুলের ছাপের মাধ্যমে নিহতের নাম জানা যায়, ওবায়দুল্লাহ (২৯) নরসিংদী জেলার শিবপুর এলাকায় তার বাড়ি।
শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে আরও একটি মানব পা উদ্ধারের ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গত রাতে বায়তুল মোকাররম ও স্টেডিয়াম এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া মানবদেহের একটি পা এবং আজ সকালে উদ্ধার হওয়া দুটি হাত—সবগুলো একই ব্যক্তির দেহাংশ হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া অন্যদিকে আজ বিকেলে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে আরেকটি পা পাওয়া গেছে, সেটিও একই ব্যক্তির হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মানবদেহের সব খণ্ডিত অংশ কালো পলিথিন ব্যাগে মোড়ানো ছিল।
তিনি আরও জানান, দুর্বৃত্তরা হত্যাকাণ্ডের পরে ওই মানুষটির বিভিন্ন অঙ্গকেটে আলাদা করে কালো পলিথিনের ব্যাগে ভরে লাশ গুম করার উদ্দেশে বিভিন্ন জায়গায় ফেলে রাখে। ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা হবে বিচ্ছিন্ন করা মানবদেহের অঙ্গগুলো একই ব্যক্তির কিনা।
এদিকে ঢাকা রেলওয়ে থানা (কমলাপুর) জয়নাল আবেদীন বলেন, কমলাপুর রেলস্টেশনের ১৪ নম্বর প্লাটফর্মের পশ্চিম পাশে কালো রঙের পলিথিন ব্যাগের ভেতর মানব দেহের বিচ্ছিন্ন করা বাম পা উদ্ধার করা হয়।
যেহেতু রেলওয়ে থানার আন্ডারে মানবদেহের অংশবিশেষ পাওয়া গেছে রেলওয়ে থানা সুরতহাল প্রতিবেদন করে খণ্ডিত পা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
এর আগে জানা যায়, পল্টন থানা এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে আরেকটি পা ও দুটি হাত। কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে উদ্ধার হওয়া মানবদেহের বিচ্ছিন্ন পায়ের বিষয় পল্টন থানাকে অবগত করা হয়েছে পাশাপাশি শাজাহানপুর থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।



