এসির বাজারে দেশি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে

এসির বাজারে দেশি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে

দেশি ব্র্যান্ডগুলোকে টেক্কা দিতে বিদেশি ব্র্যান্ডগুলোও ঘাঁটি গেড়েছে বাংলাদেশে। একটা সময় পুরো ইউনিট ধরে রপ্তানি হলেও কয়েক বছর ধরে নিজেদের ব্যবসার ধরন পাল্টেছে বিদেশি ব্র্যান্ডগুলো। দেশীয় ব্র্যান্ডগুলোর মতো তারাও সংযোজন করছে বাংলাদেশে। গ্রী, জেনারেল বিভিন্ন মডেলের এসি অ্যাসেম্বল করছে নিজেদের ওয়্যারহাউসে। প্রযুক্তি ও উপাদানের দিক থেকে দেশি–বিদেশি ব্র্যান্ড সমানে সমান টেক্কা দিচ্ছে। বিদেশি ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো। বর্তমানে যমুনা ইলেকট্রনিকস প্রতিবছর দুই থেকে আড়াই লাখ ইউনিট এসি তৈরি করে। ইলেক্ট্রো মার্টের বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতা প্রতিবছর তিন লাখ ইউনিট। 

প্রাণ–আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল জানান, বর্তমানে বাংলাদেশের এসি বাজারে ভিশন ব্র্যান্ডের মার্কেট শেয়ার প্রায় ১১ শতাংশ। বর্তমানে ১ টন এবং ১.৫ টনের ইনভার্টার এসির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে এসির সঠিক ব্যবহার ও দুর্ঘটনা এড়াতে ক্রেতাদের কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। ভিশন এসিতে উন্নত ফায়ার-প্রুফ কন্ট্রোল বক্স থাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত অগ্নিসংযোগ প্রতিরোধ করা যায়। এ ছাড়া এই ঈদে ভিশন এসি নিয়ে এসেছে ‘বিল ব্যাক অফার’, যেখানে এসি কিনলে গ্রাহকেরা ২ মাসের বিদ্যুৎ বিল ফেরত পাবেন। ভিশন এসিতে ১০০ শতাংশ কপার টিউব ব্যবহৃত হওয়ায় এসি যেমন দ্রুত ঠান্ডা হয়, তেমন বিদ্যুৎও সাশ্রয় হয়।

ট্রান্সকম ইলেকট্রনিকসের ক্যাটাগরি হেড আমিনুল ইসলাম জানান, গত বছর বাংলাদেশে ৬ থেকে ৭ লাখ এসি বিক্রি হয়েছে। যেখানে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলোর আধিপত্য ছিল বেশি। গত বছরের তুলনায় এ বছর তুলনামূলক কিছুটা আগেই তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। আশা করা যায় এ বছর ১০ লাখের বেশি এসি বিক্রি হবে। গ্রীষ্মকাল যত ঘনিয়ে আসবে, তত এসির বিক্রি বাড়বে। 

Scroll to Top