আজ অভিজ্ঞদের বাইরে রেখে কিছুটা তারুণ্যনির্ভর একাদশ সাজিয়েছিলেন কোচ পিটার বাটলার। ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা, মুনকি আক্তার, শামসুন্নাহার ছিলেন বেঞ্চে। জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হয় ডিফেন্ডার অর্পিতা বিশ্বাসের। গোলপোস্টের দায়িত্ব পান মিলি আক্তার।
তবে ম্যাচের ২৩ মিনিটেই অর্পিতাকে তুলে শিউলি আজিমকে মাঠে নামাতে হয়। এরপর ৬৯ মিনিটে আনিকাকে তুলে ডিফেন্ডার শামসুন্নাহারকে নামান বাটলার। গোলের পর গোল হজম করলেও ম্যাচে বাংলাদেশের পরিবর্তন ছিল এ দুটিই।
অভিজ্ঞদের নিয়ে একাদশ সাজালে ফলটা অন্য রকম হতো কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য নিশ্চিত করে বলা কঠিন। কারণ দুই দলের শক্তির পার্থক্যটা যে আকাশ-পাতাল।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে উত্তর কোরিয়া ১১ নম্বরে, বাংলাদেশ ১০৭। ব্যবধান ৯৬ ধাপ। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও সাফল্যেও দুই দলের মধ্যে বিশাল ফারাক।
বাংলাদেশ নারী দলের সবচেয়ে বড় সাফল্যের গল্প এখন পর্যন্ত দুটি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা। এশিয়ান গেমসে এর আগে অংশগ্রহণ মাত্র একবার, ২০২২ আসরে। সে বার গ্রুপ পর্বে একটি ম্যাচ ড্র করে বিদায় নিতে হয়েছিল।
উত্তর কোরিয়ার গল্পটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। পাঁচবার বিশ্বকাপে খেলা দলটি তিনবার এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন। অলিম্পিকে খেলেছে দুবার। আর এশিয়ান গেমসে ছয়বার সোনার লড়াইয়ে নেমে তিনবারই জয় আছে।
তারপরও আজকের হারটা বাংলাদেশের জন্য বেশ বড় ধাক্কা। গত মার্চে এএফসি এশিয়ান কাপে এই উত্তর কোরিয়ার কাছেই বাংলাদেশ হেরেছিল ৫-০ গোলে। এবার ব্যবধান দ্বিগুণ।
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের পরের ম্যাচের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া।