বলিউডের তারকা আমির খান সম্প্রতি নতুন প্রজন্মের ওপর সোশ্যাল মিডিয়া ও মোবাইল ফোনের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি আলোচিত ‘এপেস্টিন ফাইলস’-কে উল্লেখ করে এটিকে এক ধরনের মানসিক দুর্নীতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীসের সঙ্গে এক আলোচনাসভায় অংশ নেয়ার সময় আমির বলেন, একসময় তিনি সপ্তাহে দুই থেকে তিনটি বই পড়তেন। সকালের নাস্তার সময় কিংবা যাতায়াতের পথে বই পড়া তার নিয়মিত অভ্যাস ছিল। কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও বই পড়া কখনো বন্ধ হয়নি। তবে এখন তিনি বলেন, “আমি এখন ইউটিউব ও ইনস্টাগ্রামের রিল দেখে সময় নষ্ট করি। আমি জানি, এটা আমার জন্য মোটেই ভালো নয়। কিন্তু অ্যালগোরিদম এমন সব ভিডিও সামনে নিয়ে আসে, যা না দেখে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”
আমির খানের মতে, এই অভ্যাস নতুন প্রজন্মের ওপর আরও খারাপ প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, “আমাদের বয়স হয়ে গেছে, কিন্তু অল্প বয়সীদের উপর খুব খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। এমন কিছু দেশে ১৬ বছরের কম বয়সী ছেলেমেয়েদের সমাজমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ। আমার মতে, এটা ঠিক। তবে ভারতে বিষয়টি কতটা কার্যকর করা সম্ভব, তা নিয়ে আমি নিশ্চিত নই।”
এপেস্টিন ফাইলস নিয়ে সতর্কবার্তা দিলেন আমির খান
মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীসও এ বিষয়ে জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ না করলেও এর ওপর নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করা হবে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
এ সময় দুর্নীতি প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন আমির খান। তিনি বলেন, “ভারতে দুর্নীতি কোনো নতুন বিষয় নয়। এটা মানুষের স্বভাবের সঙ্গে জড়িত। মানুষ একতা থেকে সরে গিয়ে দুর্নীতির দিকে ঝুঁকে। এখন তো আমরা প্রতিদিন ‘এপেস্টিন ফাইলস’ সম্পর্কিত খবর পাই। এটিকে আমি মানসিক দুর্নীতি ছাড়া আর কিছু বলতে পারি না।”অভিনেতার এই মন্তব্য এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিনোদন অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।



