২০০৬ সালে সবশেষ বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচ খেলেছিল ইতালি। সেই ম্যাচে ফ্রান্সকে হারিয়ে চতুর্থবার বিশ্বকাপ উঁচিয়ে ধরেছিল আজ্জুরিরা। এরপর থেকে নেই সাফল্য, ২০২০ এবং ২০১৪ আসরে গ্রুপপর্বে বিদায়। পরের গল্পটা আরও বেদনার, টানা তিন বিশ্বকাপে টিকিট নিশ্চিত করতে পারেনি খেলারই। ২০১৮ এবং ২০২২ আসরের পর ২০২৬ বিশ্বকাপে জায়গা করতে না পারা দলটির হটাৎ হাতছানি দিচ্ছে আসন্ন আসরে জায়গা করে নেয়ার, তবে সুযোগটি খুবই ক্ষীণ পথের।
টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব উৎরাতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ইউরোপিয়ান বাছাইপর্বের চূড়ান্ত প্লে-অফে হেরেছে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে। নানা নাটকীয়তার ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলের ড্র’য়ের পর পেনাল্টিতে ৪-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নেয় আজ্জুরিরা। হারে পুরোপুরি বিশ্বকাপের আশা শেষ হয়ে গিয়েছিল ইতালির। তবে আশা ও সুযোগ উঁকি দিয়েছে নতুন করে। ইউরোপের দেশটিকে সেজন্য অপেক্ষা করতে হবে ইরানের অবস্থান এবং ফিফার সিধান্তের উপর।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের জেরে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন মাটিতে বিশ্বকাপ খেলবে না। সেক্ষেত্রে ফিফা যদি তাদের ভেন্যু না বদলায়, তাহলে হয়তো বিশ্বকাপে খেলা হবে না দেশটির। এক্ষেত্রে নীতিমালার ৬.২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি বিকল্প দল নিতে পারবে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সেই শূন্যস্থানে ইতালির জায়গা পাওয়ার সমীকরণ আছে।
বিকল্প দল নেয়ার কিছু কার্যকারী উপায় এখানে কাজ করবে। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য হল, যে দেশ সরে দাঁড়াবে সেই দেশের মহাদেশীয় অঞ্চলের প্লে-অফে হেরে বাদ পড়া কিংবা র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দলটিকে জায়গা দেবে ফিফা। সেক্ষেত্রে সবার আগে আসে আরব আমিরাতের নাম, যাদের হারিয়ে আন্ত-মহাদেশীয় প্লে-অফের ফাইনালে জায়গা করেছিল ইরাক।
তবে ইংলিশ গণমাধ্যমগুলোতে বারবার উঠে আসছে ইতালির নাম। কারণ ফিফা চাইলে অঞ্চলভিত্তিক নিয়মে না করে যদি বিশ্ব র্যাঙ্কিং বিবেচনা করে, তাহলে ইতালি জায়গা করে নিতে পারবে ২০২৬ বিশ্বকাপে।
এখন দেখার বিষয় ইরান কী সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও ফিফা জানিয়ে দিয়েছে, বিশ্বকাপে খেলছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি।




