মোতালেবের দাবি, তাঁর ছেলের সঙ্গে পুত্রবধূ সুমাইয়ার সম্পর্ক খুব ভালো ছিল। তাঁদের মধ্যে কখনো কলহ হয়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, তাঁরা প্রায়ই রমজান–সুমাইয়ার মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি শুনতে পেতেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) আসিফ ইকবাল। তিনি বলেন, শিশু হুজাইফাকে ঘরের মধ্যেই গলাকাটা ও কম্বল প্যাঁচানো মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুদেব রায় জানান, রমজান মুন্সী ফরিদপুরে স্ত্রী–সন্তানের লাশের সঙ্গে হাসপাতালে আছেন। তদন্তের পর বোঝা যাবে প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেছিল।



