হারলে বাদ, জিতলে সেমিফাইনাল সমীকরণে খেলতে নেমেছিল ভারত এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অঘোষিত ‘কোয়ার্টার ফাইনালের’ ম্যাচে নেমে ক্যারিবীয়দের হারিয়ে শেষ চারের টিকিট কাটে স্বাগতিক ভারত। উইন্ডিজের সঙ্গে ৫ উইকেট ও ৪ বল হাতে রেখেই জিতেছে সূর্্যকুমার যাদবের দল।
কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে রোববার টসে জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। আগে ব্যাটে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৫ রানের বড় সংগ্রহ পায় শাই হোপের দল। জবাবে ১৯.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর করে টিম ইন্ডিয়া।
বড় লক্ষ্যে নেমে শুরু থেকে চড়াও হন ভারতীয় ওপেনার সঞ্জু স্যামসন। ১০ রান আরেক ওপেনার অভিষেক শর্মা ফিরে ফেলেও ঝড় তোলেন ৩১ বর্ষী উইকেটরক্ষক ব্যাটার স্যামসন। ১২ চার ও ৪ ছক্কায় ৫০ বলে ৯৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারে চতুর্থ সেঞ্চুরির দেখা না পেলেও ম্যাচ শেষ করেই মাঠ ছাড়েন তিনি।
স্যামসনের পর সর্বোচ্চ ১৫ বলে ২৭ রান আসে তিলক ভার্মার ব্যাট থেকে। এছাড়া ঈশান কিষাণের ১০, সূর্্যকুমারের ১৮, হার্দিক পান্ডিয়ার ১৭ ও শিভম দুবের অপরাজিত ৮ রানে ভর জয় নিশ্চিত করে ভারত।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন জেসন হোল্ডার ও শামার জোসেফ। এক উইকেট শিকার করেন আকেল হোসেন।
এর আগে শুরুতে ব্যাটে নেমে ভালো সূচনা পায় ক্যারিবীয়রা। ওপেনিং জুটিতে আসে ৬৮ রান। ৩৩ বলে ৩২ রান করে আউট হন ওপেনার ও দলনেতা হোপ। আরেক ওপেনার রোস্টন চেজের ব্যাট থেকে আসে ২৫ বলে ৪০ রান।
ক্রিজে বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি ছন্দে থাকা শিমরন হেটমায়ার ও শেরফান রাদারফোর্ড। ১২ বলে ২৭ রান করে আউট হন হেটমায়ার। আর ৯ বলে ১৪ রান করেন রাদারফোর্ড।
ইনিংসের শেষদিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন রোভম্যান পাওয়েল ও জেসন হোল্ডার। দুজন মিলে গড়েন ৬০ রানের জুটি। তাতেই বড় সংগ্রহ পেয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৯ বলে ৩৪ রানে পাওয়েল এবং ২২ বলে ৩৭ রানে হোল্ডার অপরাজিত থাকেন।
ভারতের সবচেয়ে সফল বোলার জসপ্রীত বুমরাহ। ৪ ওভারে ৩৬ রান খরচায় সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন ডানহাতি এ পেসার। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন হার্দিক পান্ডিয়া ও বরুণ চক্রবর্তী।



