১৬ বছর পর বিশ্বমঞ্চে আসা নিউজিল্যান্ডকে শক্তি দেখাল ইরান। ম্যাচজুড়ে বেশ আক্রমণাত্মক ছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি, যে বিশ্বকাপে আসা নিয়েই ছিল শঙ্কা, যুদ্ধ ক্ষত নিয়ে সেই যুক্তরাষ্ট্রে এসে চোখে চোখ রেখে লড়েছে। ছেড়ে দেয়নি ফিরে আসা নিউজিল্যান্ডও। লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে ২-২ গোলে ড্রয়ে তাই ইরান-নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট ভাগাভাগি।
রাতের বাকি তিন ম্যাচের মত চতুর্থ ম্যাচটিও শেষ হয় অমীমাংসিত থেকে। ম্যাচের শুরুর থেকে অসাধারণ রক্ষনভাগের দক্ষতা দেখায় দুই দল। সপ্তম মিনিটে অবশ্য প্রথম সুযোগ পেয়ে হাত ছাড়া করেনি নিউজিল্যান্ড। ইরানের পোস্টেই ক্রিস উডের শর্ট পাসে জালে বল জড়ান এলি জাস্ট। ২৩ মিনিটেই সুযোগ পায় ইরান, মাঝ মাঠে থেকে বল টেনে নিয়ে যান মেহেদী তারেমি। পোস্টের কাছে যেয়ে শট করলে সেটা বারে লেগে ফিরে আসে।
তবে ম্যাচের ৩১তম মিনিটে রামিন রেজাইয়ানের ওয়ান টাচে গোল পায় ইরান। ম্যাচে সমতায় আসে ইরানীরা। যোগ করা সময় ফ্রি কিক পায় ইরান। সেট পিস থেকে করা শট, হেডে জালে জড়ান আলী নেমাতি। তবে অফ সাইডে সে গোল বাতিল হয় ইরানীদের। সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে আবারও জাস্ট এবং উডের কারণে পিছিয়ে পড়ে ইরান। ৫৪ মিনিটে উডের পাসে বল জালে জড়ান জাস্ট। গোল হজম করে অবশ্য বেশ আক্রমণাত্মক খেলে ইরান, সাফল্য পায় ১০ মিনিটেই। রামিন রেজাইয়ানের ক্রসে মোহাম্মদ মোহেবির হেডে আসে ইরানের সে গোল।
‘জি’ গ্রুপে শেষ একটি করে ম্যাচ। রাতে মিশর এবং বেলজিয়ামের মধ্যকার ম্যাচ শেষ হয় ১-১ গোলে। একই পরিমাণ পয়েন্ট নিয়ে একে ইরান দুইয়ে নিউজিল্যান্ড তিনে বেলজিয়াম এবং চারে রয়েছে মিশর।



