Last Updated:
দিল্লির লালকেল্লার মেট্রো স্টেশনের ১ নং গেটের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কাণ্ডে এবার আরও নতুন তথ্য পেল তদন্তকারীরা। লালকেল্লার এই বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্তরা অভিনব উপায়ে একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করত। ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে তাঁরা ইমেল ড্রাফ্টে রেখে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করত বলে জানা গিয়েছে।

নয়াদিল্লি: দিল্লির লালকেল্লার মেট্রো স্টেশনের ১ নং গেটের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কাণ্ডে এবার আরও নতুন তথ্য পেল তদন্তকারীরা। লালকেল্লার এই বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্তরা অভিনব উপায়ে একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করত। ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে তাঁরা ইমেল ড্রাফ্টে রেখে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করত বলে জানা গিয়েছে।
এই প্রসঙ্গে এক তদন্তকারী আধিকারিক জানিয়েছেন, ডাঃ উমর উন নবি যিনি ঘাতক গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে তাঁর দুই সহযোগী ডাঃ মুজাম্মিল গানাই এবং ডাঃ শাহিন সাহিদ একই ইমেল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতেন।
তাঁরা ইমেল পাঠানোর বদলে তা ড্রাফ্ট করত। কারণ, যে এই ধরনের মেসেজ পড়তে হলে তাঁকে ওই একই অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের মেসেজ পড়ত তিনজনেই। তারপরেই তা ডিলিট করে দেওয়া হত। ফলে, কোনও ডিজিটাল সূত্র থাকত না।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, এই ধরনের কায়দা ছাড়াও তাঁরা একধরনের সুইস অ্যাপ ব্যবহার করত। এই অ্যাপের নাম ‘থ্রিমা’। এই অ্যাপের মাধ্যমে কোনও ইমেল বা ফোন নম্বর ছাড়াই তাঁরা একে অপরের সঙ্গে কথাবার্তা চালিয়ে যেতে পারত। এই জন্যে প্রয়োজন ছিল না কোনও সিমকার্ডও।
পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, যে কোনও ধরনের প্ল্যানিং, লোকেশন শেয়ারিং-সহ একাধিক কাজ তাঁরা মূলত প্রাইভেট নেটওয়ার্কের উপর নির্ভর করেই চালাত। ফলে ফরেন্সিক দলের কাছেও এই ধরনের তথ্য পাওয়া খুবই সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। আরও জানা গিয়েছে, অ্যাপে মূলত গ্রুপ সদস্যদের সাংকেতিক মেসেজ দ্বারাই কথাবার্তা চালানো হত।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
November 14, 2025 8:19 PM IST



