বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ওই নির্দেশনার প্রতিবাদে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে ক্যাম্পাসের গোলচত্বরে ‘গণইফতার কর্মসূচি’র আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ইফতারি নিয়ে গোলচত্বরে জড়ো হতে থাকেন। কর্মসূচিতে কয়েক শ শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁরা একসঙ্গে বসে রোজার প্রথম দিনটিতে ইফতার করেন।
গণইফতার কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীদের কয়েকজন বলেন, এক কাতারে বসে সবার ইফতার করাটা এক সম্প্রীতির সংস্কৃতি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কেন ইফতার পার্টি আয়োজন না করার বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দিল, সেটা কারও পক্ষেই বোধগম্য হচ্ছে না।
ইফতার শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী দেলওয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইফতার পার্টি একটা মুসলিম সংস্কৃতি। এটা ঐক্য ও সম্প্রীতি ছড়ায়। হুট করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হঠকারী সিদ্ধান্ত দিয়ে ইফতার পার্টি না করার জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়। এর প্রতিবাদেই আমরা মৌন কর্মসূচি পালন করেছি। ভবিষ্যতে যেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এমন অবিবেচক সিদ্ধান্ত না নেয়, এর অনুরোধ জানাচ্ছি।’


