আসিয়ান কী, কেন বাংলাদেশ সেটির সদস্য হতে চায়, লাভ কী তাতে

আসিয়ান কী, কেন বাংলাদেশ সেটির সদস্য হতে চায়, লাভ কী তাতে

বাংলাদেশ অনেক বছর ধরেই আসিয়ানের সদস্য হতে আগ্রহ জানিয়ে আসছে। ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকায় নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত হেরু হরতান্তো সুবোলো প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, ইন্দোনেশিয়া আমাদের আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সাহায্য করবে।’

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনের ফাঁকে মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও এ বিষয়ে সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। ডাভোসের ওই বৈঠকের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বরাত দিয়ে তাঁর প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছিলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ আসিয়ানের সদস্য হতে চায়। আসিয়ানের সদস্য হওয়া মানে, বাংলাদেশের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন হওয়া। এতে ব্যবসা ও বিনিয়োগ বাড়বে, বাজারও উন্মুক্ত হবে।’ প্রেস সচিব আরও বলেছিলেন, আসিয়ানের সদস্যপদ পাওয়া গেলে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এর চেয়ে বড় সুখবর আর হতে পারে না।

অনেকে মনে করেন, আসিয়ানের সদস্য হতে পারলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ভারতনির্ভরতা কমবে। আসিয়ানের সদস্য হওয়ার জন্য বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত যথাযথভাবে আবেদনই করতে পারেনি। এ ছাড়া বাংলাদেশের আসিয়ানে যুক্ত হওয়া নিয়ে মিয়ানমারের অপ্রকাশ্য বিরোধিতা রয়েছে।

Scroll to Top