আমাদের কেমন পুলিশ দরকার

আমাদের কেমন পুলিশ দরকার

এই তিন শ্রেণির যে জনবল, তারা এ দেশেরই নাগরিক, তাদের রাজনৈতিক অধিকার আছে, এই জনগণ পুলিশেরই আপনজন; জনগণ কোনোভাবেই পুলিশের প্রতিপক্ষ নয়, পুলিশও কোনোভাবেই জনগণের প্রতিপক্ষ নয়, এই জনগণের জানমালের নিরাপত্তা প্রদানই পুলিশের ম্যান্ডেট। পক্ষান্তরে আইন পালন ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় পুলিশকে নিরঙ্কুশ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা এবং কর্তৃত্বপূর্ণ আচরণ জনগণের চাওয়া-পাওয়ার বিরুদ্ধেই করতে হয়। এ ক্ষেত্রে পুলিশকে সরকারের নির্দেশনা মানার বাধ্যবাধকতা এবং কর্মসূচি পালনকারী রাজনৈতিক দল ও জনগণের চাওয়া-পাওয়ার প্রতি ভারসাম্য রক্ষা করেই দায়িত্ব পালন করতে হয়।

এই দ্বিমুখী সংকটে দায়িত্ব পালনে প্রফেসর এলমার পুলিশকে কৌশলী, ধৈর্যশীল, সংবেদনশীল ও সহানুভূতিশীল হওয়ার পরামর্শ দেন। পুলিশকে এ দায়িত্ব পালনে থাকতে হয় নিষ্কণ্টক ও বাধা-বন্ধনহীন। পুলিশকে তিনটি বিষয় মাথায় রেখে পুলিশিং করতে হয়—

(১) সমাজের অসহায় মানুষদের অভিভাবক: সমাজকে বিপদের হাত হতে রক্ষায় পুলিশ পাহারাদার হিসেবে কাজ করে।

(২) আইন প্রয়োগকারী সংস্থা: পুলিশ দেশের প্রচলিত আইন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর করে থাকে।

(৩) সরকারি কর্মচারী: সমাজজীবন নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে যেসব সেবা প্রদান আবশ্যক, পুলিশ সরকারি কর্মচারী ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেই দায়িত্ব পালন করে থাকে।

Scroll to Top