আবাসনে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছি আমরা

আবাসনে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছি আমরা

প্রথম আলো: আমরা দেখছি, প্রথম সারির প্রতিষ্ঠানগুলো ১ কোটি টাকার নিচে ফ্ল্যাট দিতে পারছে না। তবে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকায় দিতে পারছে। তারা পারলেও আপনারা পারছেন না কেন?

শাহ মো. মাসুদ ইব্রাহিম: ফ্ল্যাটের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু প্রতিষ্ঠানের আকার বা পরিচিতি বিবেচনা করলে সম্পূর্ণ চিত্র পাওয়া যায় না। প্রকল্পের অবস্থান, জমির মূল্য, ফ্ল্যাটের আয়তন, ভবনের নকশা, নির্মাণের মান এবং সুযোগ-সুবিধার ওপর ভিত্তি করে ফ্ল্যাটের দাম নির্ধারিত হয়। তাই ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার ফ্ল্যাটের সঙ্গে আমাদের প্রকল্পের তুলনা করতে হলে এসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। ছোট আয়তনের ফ্ল্যাট বা ভিন্ন অবস্থানের প্রকল্পে তুলনামূলক কম মূল্য নির্ধারণের সুযোগ থাকতে পারে।

আমরা মনে করি, ক্রেতাদের কাছে মূল্য নির্ধারণের ভিত্তি স্বচ্ছ হওয়া উচিত। একটি ফ্ল্যাট কেনার সময় শুধু প্রাথমিক মূল্য নয়, নির্মাণের গুণগত মান, কাঠামোগত নিরাপত্তা, ভবনের সুযোগ-সুবিধা এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারযোগ্যতাও বিবেচনা করা জরুরি। আমাদের লক্ষ্য হলো ক্রেতাদের এমন একটি পণ্য দেওয়া, যা তাঁদের বর্তমান প্রয়োজনের পাশাপাশি ভবিষ্যতের চাহিদাও পূরণ করতে পারে। তবে মধ্যবিত্তের জন্য আরও সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণ প্রয়োজন, সেটি আমরা স্বীকার করি। এ জন্য ভবিষ্যতে প্রকল্পে জমির ব্যবহার ও নকশার কার্যকারিতা বাড়িয়ে মূল্য নিয়ন্ত্রণের সুযোগ খুঁজতে চাই আমরা।

Scroll to Top