আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ! কার মদতে? তদন্তে পুলিশ

আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ! কার মদতে? তদন্তে পুলিশ

Last Updated:

পরিবেশ বাঁচাতে যেখানে রাজ্য সরকার আরও বেশি করে সামাজিক বনসৃজনের উপর জোর দিয়েছে, ঠিক সেই সময়েই নির্বিচারে সরকারি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠল।

+

আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ! কার মদতে? তদন্তে পুলিশ

রানীনগরে সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ

রানীনগর, কৌশিক অধিকারী: পরিবেশ বাঁচাতে যেখানে রাজ্য সরকার আরও বেশি করে সামাজিক বনসৃজনের উপর জোর দিয়েছে, ঠিক সেই সময়েই নির্বিচারে সরকারি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠল। রাজ্যে সড়কের ধারে আছে সরকারি গাছ। আর সেই গাছ কেটে নেওয়া হচ্ছে হঠাৎই নির্বিচারে। যে ঘটনার জেরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদের রানীনগরে।

রাস্তার ধারের সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ইতিমধ্যেই। জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের রানীনগর থানার কালিনগর দুই নম্বর পঞ্চায়েতের সীতানগর এলাকায় PWD রাস্তার ধারে প্রাচীন বড় পাকুড় গাছ কেটে নিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ তুললেন গ্রামবাসীরা। বাকি গাছগুলিকে রক্ষার এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবিতে সোচ্চার এলাকার মানুষ। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রানীনগর থানার পুলিশ।

এদিন গাছ কাটার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে মুর্শিদাবাদের রানীনগর থানার পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে গাছ কাটা বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। পুলিশ গাড়ি দেখে পালিয়ে যায় শ্রমিকরা। গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, “আমরা দেখতে পায় বহু প্রাচীন গাছ হঠাৎই কেটে নিয়ে চলে যাওয়া হচ্ছে। সরকারি গাছ কীভাবে চোখের সামনে কাটা হয়। এর জন্য প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বদের। শাসকদলের মদতেই সরকারি সম্পত্তি প্রাচীন গাছ কেটে নেওয়া হচ্ছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

গাছ কাটা প্রতিরোধের জন্য ফরেস্ট অ্যাক্ট এ নির্দিষ্ট আইন আছে। গাছ কাটতে গেলে বন দফতর থেকে অনুমতি নিয়ে তবেই গাছ কাটা যায়। বন দফতরের অনুমতি ছাড়া কাজ কাটা অন্যায়। যদিও এই ঘটনায় রানীনগর দুই নম্বর ব্লকের বিডিও তিনি বলেন, “আমি খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রানীনগর থানায় পুলিশকে জানাই এবং কাটা গাছের অংশ পুলিশ আটক করে। বর্তমানে গাছ কাটা বন্ধ আছে।”

Scroll to Top