অশ্রুসিক্ত বিদায়, মায়ের কবরে সমাহিত আতাউর রহমান | চ্যানেল আই অনলাইন

অশ্রুসিক্ত বিদায়, মায়ের কবরে সমাহিত আতাউর রহমান | চ্যানেল আই অনলাইন

দেশের বরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমানকে মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাঁর মায়ের কবরের পাশেই সমাহিত করা হয়েছে। জানাজা ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

এর আগে বাদ জোহর রাজধানীর মগবাজারে ইস্পাহানি সেঞ্চুরি আর্কেডে নিজ বাসভবনের সামনে অনুষ্ঠিত হয় তাঁর প্রথম জানাজা। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর ছোট ভাই আবু নোমান মামুদুর।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন মামুনুর রশীদ, জাহিদ হাসান, নাসির উদ্দীন ইউসুফ, গাজী রাকায়েত-সহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বহু মানুষ।

জানাজার পর সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তাঁর মরদেহ নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে রাষ্ট্রীয়ভাবে এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

ছায়ানট, উদিচী শিল্পী গোষ্ঠী, প্রাচ্যনাট, গ্রাম থিয়েটার, অভিনয় শিল্পী সংঘ, দেশ নাটক-সহ অসংখ্য সাংস্কৃতিক সংগঠন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সারা যাকের, তারিক আনাম খান, জিতু আহসান, রামেন্দু মজুমদার ও লাকি ইনাম-সহ বহু গুণীজন।

সোমবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আতাউর রহমান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের মঞ্চনাট্য আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত আতাউর রহমান ছিলেন নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়-এর প্রতিষ্ঠাতা। ‘গডোর প্রতীক্ষায়’, ‘গ্যালিলিও’, ‘রক্তকরবী’, ‘এখন দুঃসময়’ ও ‘অপেক্ষমাণ’-এর মতো উল্লেখযোগ্য নাটক নির্দেশনার পাশাপাশি তিনি লেখক, অভিনেতা ও শিক্ষক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

দেশের সংস্কৃতি ও নাট্যাঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন।

Scroll to Top