সিউল সেন্ট্রাল মসজিদে নামাজ শেষে এক পাকিস্তানি ভাইয়ের সাহায্যে কয়েকটা ছবি তুললাম। পাঠিয়ে দিলাম পরিবারের কাছে। সবচেয়ে বেশি মনে পড়েছিল আমার একমাত্র মেয়ে আরিয়াকে। আমাকে ছাড়া এটাই ওর প্রথম ঈদ। নামাজ শেষে কিছুক্ষণ পরিবারের সঙ্গে কথা বলে কাজে চলে গেলাম।
বাংলাদেশে আমরা অতিরিক্ত ছয় তাকবিরে ঈদের নামাজ পড়ি। এখানে ছয়ের সঙ্গে ছয় যোগ হয়ে বারো তাকবিরে নামাজ আদায় করা হয়। এই অভিজ্ঞতা আমার কাছে নতুন। ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের মুসল্লিরা নিজ নিজ ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে এসেছিলেন। দেখতেই ভালো লাগছিল।
একদম অপরিচিত পাকিস্তানি, বাংলাদেশি, ভারতীয়, উজবেক মানুষের সঙ্গে কোলাকুলি করেও মনটা হালকা হয়েছে। প্রবাসজীবনের বাস্তবতা হলো—এখানে ঈদের দিনটাও ব্যস্ততায় ভরা। নামাজ শেষে বিকেল পর্যন্ত একটা রেস্তোরাঁয় কাজ করেছি। কাজের ফাঁকে সেমাই খেয়েছি। বিভিন্ন দেশের মুসলিম ও অমুসলিমদেরও খাইয়েছি। রেস্তোরাঁর কাজ শেষে একটা মার্টে মরিচ প্যাকেজিংয়ের কাজও করেছি।
অন্য রকম এই ঈদ হয়তো স্মৃতিতে চিরদিন থেকে যাবে।



