এবার কাপের মাপ ঠিক করার পালা। এটি ঠিক করার জন্য সাধারণত স্তনের সবচেয়ে উঁচু অংশের পরিধিও মাপতে হয়। এবার যে সংখ্যাটি পাওয়া যাবে, তা থেকে প্রথম পাওয়া সংখ্যাটি বিয়োগ করতে হয়। বিয়োগফল থেকে নির্ধারণ করা হয় কাপের মাপ।
তবে সব দেশের বা সব ব্র্যান্ডের কাপের মাপ একই পদ্ধতিতে ঠিক করা হয় না। তাই শুধু একটি সূত্রে কাপের মাপ নির্দিষ্ট করার সুযোগ নেই। অন্তর্বাস পরার পর তা শরীরে কেমনভাবে বসছে, তা যাচাই করাই বেশি নির্ভরযোগ্য।
দুই স্তনের আকারে কিছুটা পার্থক্য থাকাও স্বাভাবিক। প্রয়োজন মনে হলে তুলনামূলক ছোট স্তনটির জন্য ‘রিমুভেবল প্যাড’ ব্যবহার করা যেতে পারে।