শুধু নভেম্বর মাসেই রুশ সেনারা প্রায় ৫০৫ বর্গকিলোমিটার (১৯৫ বর্গমাইল) এলাকা দখল করেছেন, যা অক্টোবর মাসের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
রাশিয়া এখন কার্যত পুরো লুহানস্ক অঞ্চলই নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। খেরসন পর্যন্ত বিস্তৃত উপকূলীয় এলাকার বড় অংশও তাদের দখলে। এসব এলাকার যুদ্ধক্ষেত্রে মোটামুটি স্থিতিশীল অবস্থা থাকলেও রুশ বাহিনী ধীরে ধীরে অগ্রগতি অব্যাহত রেখেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনার অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ সোমবার লন্ডনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করবেন। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসও সেখানে থাকবেন।
মাখোঁ বলেন, ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য রাশিয়ার ওপর আমাদের চাপ বজায় রাখতেই হবে।’
মায়ামির আলোচনার আগে গত মঙ্গলবার মস্কোতে উইটকফ ও কুশনারের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠক হয়। সেখানেও কোনো সমঝোতা হয়নি।
গত শুক্রবার প্রকাশিত একটি যৌথ বিবৃতিতে স্বীকার করা হয়েছে, যেকোনো চুক্তিতে বাস্তব অগ্রগতির বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করছে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে রাশিয়া কতটা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে, তার ওপর।



