West Medinipur News: প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি পালনা থেকে উদ্ধার পুত্র সন্তান, চাঞ্চল্যকর ঘটনা মেদিনীপুর শহরে

West Medinipur News: প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি পালনা থেকে উদ্ধার পুত্র সন্তান, চাঞ্চল্যকর ঘটনা মেদিনীপুর শহরে

Last Updated:

হঠাৎ করেই সাইরেন বেজে উঠল হোমের বাইরে থাকা ‘পালনা’তে। হোম কর্তৃপক্ষ বাইরে বেরিয়ে আসতে চক্ষুচড়ক গাছ সকলের। পালনাতে রয়েছে এক সদ্যজাত পুত্র সন্তান। কেউ বা কারা পালনাতে রেখে চলে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই সদ্যোজাতকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে, চলছে চিকিৎসা।

এই সেই পালনাWest Medinipur News: প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি পালনা থেকে উদ্ধার পুত্র সন্তান, চাঞ্চল্যকর ঘটনা মেদিনীপুর শহরে
এই সেই পালনা

পুজোর আগে এই ঘটনা ঘটেছে মেদিনীপুর শহরের রাঙামাটি সংলগ্ন বৈশাখীপল্লীতে অবস্থিত সরকারি হোম বা বিদ্যাসাগর বালিকা ভবনে। এরপরই হোম কর্তৃপক্ষের তরফে সদ্যোজাতকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। শুক্রবার প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত সুস্থ আছে ওই সদ্যোজাত শিশুটি। তবে কী এই পালনা? কারা রেখে গেল সদ্যোজাতকে?

প্রসঙ্গত, ঠিক দু’বছর আগে, ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের তরফে পরিচয়হীন শিশুদের লালন পালন করার জন্য উদ্বোধন করা হয়েছিল এই পালনার। যে সকল দম্পতি বা পরিবার পারিবারিক ও আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে, শিশুদের লালন-পালন করতে অসমর্থ, মূলত তাঁদের কথা ভেবেই স্বয়ং জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদেরির নেতৃত্বে এই ‘পালনা’-র উদ্বোধন করা হয়। জেলার চারটি হাসপাতাল (মেদিনীপুর মেডিক্যাল, খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতাল, ঘাটাল মহকুমা হাসপাতাল ও চন্দ্রকোনা গ্রামীণ হাসপাতাল) এবং রাঙামাটির সরকারি হোমের সামনে এই পালনা রাখা হয়েছে। এই পালনা আসলে লোহার তৈরি দরজাওয়ালা একটি কক্ষ। যার ভেতরে শিশুকে শুইয়ে রাখার যেমন ব্যবস্থা আছে, ঠিক তেমনই আছে একটি সেন্সরও< যার মাধ্যমে সাইরেন বেজে উঠবে বা বার্তা পৌঁছে যাবে কর্তৃপক্ষের কাছে। মূলত, ‘পালন’ আর ‘দোলনা’-র সমন্বয়েই এই নাম দেওয়া হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত্রি ১টা নাগাদ ঠিক বিদ্যাসাগর বালিকা ভবনের সামনে রাখা ‘পালনা’-র সাইরেন বেজে উঠতেই হোম কর্তৃপক্ষ সজাগ হন এবং তড়িঘড়ি ওই সদ্যোজাত শিশুকে উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যান। ডিস্ট্রিক্ট চাইল্ড প্রটেকশন অফিসার (ডিসিপিও) সন্দীপ কুমার দাস বলেন, “গভীর রাতে কেউ বা কারা ওই সদ্যজাতকে পালনাতে রেখে দিয়ে গিয়েছে. আমরা তাকে উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাই। আপাতত মাতৃমা বিভাগে চিকিৎসাধীন আছে শিশুটি।” উল্লেখ্য যে, এই ধরনের শিশুদের সুনির্দিষ্ট বিধি বা আইন মেনে দত্তকের ব্যবস্থাও আছে মেদিনীপুরের এই সরকারি হোমে, তবে পুজোর আগে এমন ঘটনায় রীতিমত হতবাক সকলে।

Scroll to Top