
আন্দ্রিয়া আরও বলেন যে, “আমি মাঝেমধ্যে বেরিয়ে যেতেও চেয়েছি। কিন্তু তারপরেই আমার উদ্বেগ হয়, মানুষটা খেয়েছে তো? সব ঠিক আছে তো? এরপরেই আমি একবার দেখে নিতাম উনি ঠিক আছেন কি না। আর তারপরেই বুঝতাম, ওঁর আমাকে প্রয়োজন রয়েছে।” পুত্র জেসাস ক্রিস্চিয়ানো কাম্বলির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আন্দ্রিয়া। তাঁর কথায়, “আমার পুত্র সব কিছু বুঝতে পারত। যদিও আমায় এ নিয়ে প্রশ্ন করতো না। আমার মুখ দেখেই সমস্তটা বুঝে যেত ও। আর ওর জন্যই আমি প্রতিকূল সময়ের মোকাবিলা করতে পেরেছি।”