Success Story: সাড়ে তিন আঙুলেই টেক্কা সকলকে, অবশেষে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নপূরণ‌ বিশেষভাবে সক্ষম প্রশান্তর

Success Story: সাড়ে তিন আঙুলেই টেক্কা সকলকে, অবশেষে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নপূরণ‌ বিশেষভাবে সক্ষম প্রশান্তর

Last Updated:

Success Story: একাধিক প্রতিকূলতাকে জয় করে এই বছরের সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষায় নজর কাড়া ফল করে প্রশান্ত মণ্ডল। জন্মগতভাবে পোলিও রোগের ফলে হাতের আঙুল অসম্পূর্ণ তার।

+

Success Story: সাড়ে তিন আঙুলেই টেক্কা সকলকে, অবশেষে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নপূরণ‌ বিশেষভাবে সক্ষম প্রশান্তর

নিট উত্তীর্ণ প্রশান্ত মন্ডল

মালদহ, জিএম মোমিন: নিট পরীক্ষায় সফল হ‌ওয়ার পরও ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন থমকে ছিল মাঝপথে। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে আজ। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর উচ্চ আদালতের রায়ে ডাক্তারি পড়াশোনার সুযোগ হল মালদহের বিশেষভাবে সক্ষম প্রশান্ত মণ্ডলের। পরিবারের আর্থিক অনটনের পরেও থেমে থাকেনি স্বপ্নপূরণের চেষ্টা। একাধিক প্রতিকূলতাকে জয় করে এই বছরের সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষায় নজর কাড়া ফল করে প্রশান্ত মণ্ডল। জন্মগতভাবে পোলিও রোগের ফলে হাতের আঙুল অসম্পূর্ণ তার। সাড়ে তিন আঙুলেই কোটি কোটি পরীক্ষার্থীদের টেক্কা দিয়ে পরীক্ষায় পাশ করেছে প্রশান্ত।

মালদহের বৈষ্ণবনগর থানার চরসুজাপুরের বাসিন্দা প্রশান্ত মন্ডল। প্রশান্ত মণ্ডল জানান, ডাক্তারি পরীক্ষা পাস করার পর ভেরিফিকেশন এর জন্য প্রথম ধাপে তাকে ডাকা হয় কলকাতা এসএসকেএম হাসপাতালে সেখানে তাঁর বিশেষভাবে সক্ষমতার কারণ দেখিয়ে ডাক্তারি পড়ার অযোগ্য বলে জানানো হয়। কারণে বলা হয় হাতে স্বাভাবিক ছুরি, কাঁচি ধরার ক্ষমতা নেই তাঁর।

এদিন সেই ছাড়পত্র নিয়ে দ্বিতীয়বারে ভেরিফিকেশনের জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যায় প্রশান্ত। সেখানে সমস্ত নথিপত্র যাচাই করেন অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম মুখোপাধ্যায়। তিনি জানান, ‘আপাতত তার সমস্ত নথি ঠিক আছে। তবে জাতি শংসাপত্রের সামান্য ভুল রয়েছে তা ঠিক করা হবে। তাকে আবার ভেরিফিকেশনের জন্য ডাকা হয়েছে।’

এই বছর ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ছেলেকে ডাক্তার করার স্বপ্ন দেখেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। মাঝপথে এমন প্রতিকূলতা আসবে ভাবতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা। তবে অবশেষে তার এই লড়াইয়ের জয়ের পর আবারও বাড়ির ছেলেকে ডাক্তার হতে দেখার স্বপ্নে বুক বেঁধেছেন পরিবারের সদস্যরা।

বাংলা খবর/ খবর/শিক্ষা/

Success Story: সাড়ে তিন আঙুলেই টেক্কা সকলকে, অবশেষে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নপূরণ‌ বিশেষভাবে সক্ষম প্রশান্তর

Scroll to Top