Success Story: পোস্টমাস্টার থেকে IIS অফিসার, মালদহের অভিজিতের কাহিনি হার মানাবে সিনেমাকেও

Success Story: পোস্টমাস্টার থেকে IIS অফিসার, মালদহের অভিজিতের কাহিনি হার মানাবে সিনেমাকেও

Last Updated:

গ্রামের সাধারণ পোস্টমাস্টার হিসেবে শুরু, এর পর তিন-তিনটি জায়গায় চাকরির পর‌‌‌ আজ আইআইএস অফিসার মালদহের অভিজিৎ

+

Success Story: পোস্টমাস্টার থেকে IIS অফিসার, মালদহের অভিজিতের কাহিনি হার মানাবে সিনেমাকেও

প্রায় ১৩ বছর পর স্বপ্ন পূরণ তিনটি জায়গায় চাকরির পর অবশেষে আজ আইআইএস অফিসার

মালদহ: সাধারণ পোস্টমাস্টার থেকে একেবারে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আইআইএস। তিন তিনটি জায়গায় চাকরি করেও লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত থামেনি পথচলা। এটি কোন সিনেমার কাহিনি নয়, বাস্তব এই গল্প মালদহের অভিজিৎ চৌধুরীর। আইএএস, আইপিএস এবং আইআইএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখেন অনেকেই। তবে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে দেখা যায় খুব কম। একাধিক ভাল  চাকরি পেয়েও ভোলেননি নিজের লক্ষ্য।স্বপ্ন ছিল একদিন কোনও উচ্চ আধিকারিক হয়ে দেশের জন্য কাজ করবেন। পরিবারের আর্থিক অনটনের কারণে সেই স্বপ্নপূরণ আটকে ছিল মাঝপথে।

অবশেষে প্রায় ১৩ বছর পর সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে অভিজিতের। ইউপিএসসি ইন্ডিয়ান ইনফরমেশন সার্ভিস পরীক্ষায় সফল হয়ে আইআইএস মালদহের প্রত্যন্ত গ্রামের ছেলে অভিজিৎ চৌধুরী। মালদহের ইংরেজবাজার ব্লকের সাতটারি গ্রামের ছেলে অভিজিৎ চৌধুরী। সাতটারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনার পর গৌড় মহাবিদ্যালয়ে গণ জ্ঞাপন সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মেধাবী ছিলেন অভিজিৎ। এর পর জেলাতেই সাংবাদিকতা করার পর জীবনের প্রায় তিনটি জায়গায় সরকারি চাকরি করার সুযোগ হয় তাঁর। তবে সেটি স্বপ্ন ছিল না তাঁর। বিগত দিনে পোস্টমাস্টার, আদালতে পেশকার এবং বর্তমানে পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনের সিনিয়র পাবলিসিটি ইন্সপেক্টর। প্রায় তিনটি জায়গায় কাজ করার পর অবশেষে ১৩ বছর পর উচ্চ আধিকারিক হ‌ওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে অভিজিৎ চৌধুরীর। এই সাফল্যে খুশির হাওয়া গোটা জেলা জুড়ে।

ইউপিএসসি, আইআইএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থী অভিজিৎ চৌধুরী জানান, ” গত ৩০ তারিখ থেকে ৪ তারিখ দিল্লির ইউপিএসসি ভবনে ইন্টারভিউ হয়। মঙ্গলবার ফলাফল আসে। সফল হতে পেরে খুব খুশি। স্বপ্ন পূরণ হল। এই সাফল্যের নেপথ্যে পরিবার এবং সহকর্মীদের অনেক অবদান রয়েছে। কর্মজীবনের সঙ্গেই পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছি। প্রায় তিনটি জায়গায় কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং নিয়মিত পড়াশোনার পর আজ এই সাফল্য পেয়েছি, খুব ভাল লাগছে।”

অভিজিতের মা বিনা চৌধুরী জানান, “পরিবারে অনটন থাকা সত্ত্বেও দুই ছেলেকে বড় করেছি। ভাল জায়গায় পড়াতে পারিনি, তবু ছেলে নিজের ইচ্ছা শক্তিতে আজ এই জায়গায় আসতে পেরেছে। আমি খুব গর্বিত।”

Scroll to Top