RasaPurnima Celebration in Bankura: আলোকসজ্জা, রাধাকৃষ্ণের দর্শন-বাঁকুড়ায় জমজমাট রাসপূর্ণিমার উৎসব

RasaPurnima Celebration in Bankura: আলোকসজ্জা, রাধাকৃষ্ণের দর্শন-বাঁকুড়ায় জমজমাট রাসপূর্ণিমার উৎসব

Last Updated:

RasaPurnima Celebration in Bankura:বৈষ্ণবীয় ভাবধারায় শ্রীকৃষ্ণের প্রকৃতির উৎসবই রাস। এই বিশেষ উৎসবে গোপিনীদের সহযোগে রাধাকৃষ্ণের প্রার্থনা করা হয়

X

RasaPurnima Celebration in Bankura: আলোকসজ্জা, রাধাকৃষ্ণের দর্শন-বাঁকুড়ায় জমজমাট রাসপূর্ণিমার উৎসব

রাসমঞ্চ

নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঁকুড়া: ১৭০ বছরের প্রাচীন মন্দির এবং রাস উৎসব। কলকাতার দক্ষিণেশ্বরের আদলে তৈরি এই মন্দিরের রাসের দিন আলোকসজ্জা দেখলে আপনার মন ভাল হয়ে যাবে। ১৮৫৪-১৮৫৫ সালে নবীনচন্দ্র দত্ত কলকাতায় যান, ফেরার সময় দক্ষিণেশ্বর মন্দির তৈরির দৃশ্য দেখে তৎকালীন সময়ের বাঁকুড়ায় তালডাংড়া রোড এবং বনপুকুর রোডের সংযোগ স্থলে মন্দির তৈরি এবং প্রতিষ্ঠা করেন। তখন থেকেই হয়ে পালিত আসছে রাস।

দশ পুরুষ ধরে দত্তবাড়ির রাসপূর্ণিমা বাঁকুড়া শহরের রাসমঞ্চ সংলগ্ন এলাকার মানুষকে একত্রিত করে। বৈষ্ণবীয় ভাবধারায় শ্রীকৃষ্ণের প্রকৃতির উৎসবই রাস। এই বিশেষ উৎসবে গোপিনীদের সহযোগে রাধাকৃষ্ণের প্রার্থনা করা হয়। পুরাণে রাস উৎসবের উল্লেখ আছে। বাঁকুড়ার এই মন্দিরে, দেখতে পাবেন বিশেষ শিল্প। মন্দিরের গায়ে রয়েছে ১০ অবতার। কালীপুজোর পর থেকেই শুরু হয়ে যায় প্রস্তুতি, জানালেন পরিবারের সদস্য সৌমেন্দ্রনাথ দত্ত।

মানুষের আনাগোনা লেগেই থাকে সন্ধ্যার পর থেকে। আলোকসজ্জা, ব্যান্ডের গান, রাধাকৃষ্ণের দর্শন- সব মিলিয়ে জমজমাট রাস উদযাপন বাঁকুড়ায়। বৈষ্ণবীও ধারায় কৃষ্ণভাবাবেগ যাঁদের রয়েছে, তাঁদের জন্য রাস এক গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। শুধু তাঁরাই নয়, বাঁকুড়ার প্রত্যেকেই এই কয়েক দিন উপভোগ করেন রাস উৎসব।

আরও পড়ুন : সমবেত হন অগণিত ভক্ত! রাধাবল্লভ মন্দিরে ১৫ দিন ধরে চলে রাসপূর্ণিমার উৎসবে

সে কারণেই বাঁকুড়া শহরের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা রাসমঞ্চ, কিন্তু সন্ধ্যের পর গেলে মনে হবে যেন পৌঁছে গেছেন একটি চোখ ধাঁধাঁনো মেলায়। আলোর খেলা এবং সুরের মূর্ছনা কেড়ে নেবে আপনার ইন্দ্রিয়।

Scroll to Top