Last Updated:
বাঁকুড়া শহরের ফুসফুস যেন এক টুকরো সোনাঝুরি৷ রয়েছে পিকনিকের ব্যবস্থা। ছায়াছবির মত শান্তির নীর আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।
পলাশ তলা
বাঁকুড়া: বাঁকুড়ার বুকে এক টুকরো বোলপুর। বাঁকুড়ার বুকে যেন এক টুকরো সোনাঝুরি। শীত অনুভব হচ্ছে সামান্য। সূর্যের তেজ কমছে। শুকনো পাতা দেখা যাচ্ছে গাছের তলায়। ঠিক এমন চিত্রটাই ধরা পড়ল বাঁকুড়ার শহরের বুকে অবস্থিত পলাশতলা মহাশ্মশানে। একসময় এই মহাশ্মশানের ধারে ঘেঁষতে ভয় করত সাধারণ মানুষ, তবে চিত্রটা পাল্টেছে।
পলাশতলা মহাশ্মশান বাঁকুড়া শহরের জন্য ফুসফুসের কাজ করছে। সবুজে ঘেরা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এক প্রকার ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড় এই জায়গা। মানুষের আনাগোনা লেগেই থাকে সারা বছর। শান্তির খোঁজে এই জায়গায় আসেন মানুষ। শীতকালে সেই সংখ্যাটা বাড়ে। বাড়তি পাওনা পিকনিক। তবে শ্মশান চত্বরে পিকনিক করা নিষেধ, তার জন্য বরাদ্দ করা রয়েছে আলাদা জায়গা।
শ্মশান চত্বরের বাইরে পলাশতলার মাঠে এবং গন্ধেশ্বরী নদীর তীরে মিষ্টি রোদে পিকনিক করতেই পারেন চাইলে। ইতিমধ্যেই পিকনিকের প্ল্যানিং করতে শুরু করেছে বাঁকুড়াবাসী, কিন্তু শহরেই রয়েছে এমন ব্যবস্থা। পিকনিক করতে মুকুটমণিপুর, শুশুনিয়া কিংবা গাংদুয়া ড্যাম যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বাঁকুড়া শহরে পলাশতলা-রামপুর’এ অবস্থিত এক টুকরো সবুজে ঘেরা পলাশতলা। প্রবেশ করলে মনে হবে ঢুকে পড়েছেন অন্য একটা পৃথিবীতে, মনে হবে এসে পড়েছেন লাল মাটির সোনাঝুরিতে। যারা আধ্যাত্মচর্চা করেন তাদের জন্য রয়েছে শ্মশান কালীর মন্দির।
ইংরেজিতে একটা কথা আছে, “দি গ্রাস অলওয়েজ গ্রিনার ওন দি আদার সাইড” অর্থাৎ কাছেই যেটা রয়েছে সেটা গুরুত্ব পায় না, দূরের জিনিসগুলো বেশি সুন্দর লাগে। পলাশতলাও সেই রকম একটা জায়গা। ব্যস্ত ছোট্ট শহর বাঁকুড়া। ক্ষুদ্র এবং মাঝারি ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততায় মোড়া এই শহরকে অক্সিজেন প্রদান করে পলাশতলা। সেই কারণেই শীতের শুরুতেই যদি পিকনিক করে নিজের ব্যস্ত জীবনকে রিলাক্স করতে চান তাহলে অবশ্যই আসতে পারেন পলাশতলায়, আশা করা যায় হতাশ হবেন না।
নীলাঞ্জন ব্যানার্জী
Kolkata,West Bengal
November 12, 2024, 11:48 PM IST
Picnic Spot in Bankura: বাঁকুড়া শহরের বুকে “বোলপুরের সোনাঝুরি”! গন্ধেশ্বরী নদীর তীরে মিষ্টি রোদ মেখে পিকনিক, শীতের ভরপুর মজা বাঁকুড়ায় এই জায়গায়, যাবেন নাকি?



