Last Updated:
হাওড়ার পুর প্রশাসকের পদত্যাগের পরেই থেকে নাড়াচাড়া শুরু হয়েছে সর্বত্র। সূত্রের খবর, নিজে থেকেই ইস্তফা দিতে বলা হবে। না দিলে সরানো হবে। বর্তমান অবস্থায় এই নিয়ে কোনও হইচই না করে নীরবে সেরে ফেলতে চায় শীর্ষ নেতৃত্ব।

কলকাতা: হাওড়া পুরসভার পুর প্রশাসকের পদত্যাগের পরে। গোটা রাজ্যের একাধিক পুরসভা নিয়ে জল্পনা অব্যাহত। এরই মধ্যে ধূপগুড়ি ও পাঁশকুড়াতেও বদল এসেছে। দায়িত্ব গেছে প্রশাসনের হাতে। পারফরম্যান্স অনুযায়ী কোন পদে বহাল থাকবেন তারা? এই আলোচনা জোরদার চলছে। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের ফলাফল অনুযায়ী ৫১ পুরসভায় এগিয়ে ছিল তৃণমূল, ২ টিতে এগিয়ে ছিল কংগ্রেস আর ৬৯ পুরসভায় এগিয়ে ছিল বিজেপি। গত কয়েকমাস ধরে পুরস্তরে নানা রকম সমীক্ষা চালিয়েছে শাসকদল। তার ভিত্তিতেই যোগ্যতম ব্যক্তির খোঁজ করছে শাসকদল।
গ্রামাঞ্চলে সাধারণ মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসকে ব্যাপক ভোট দিল। সেই দল পুর অঞ্চলে কেন ভোট পেল না? তার ময়নাতদন্ত শুরু করে দল। এর প্রেক্ষিতেই চেয়ারম্যান। কোথাও ভাইস চেয়ারম্যান। কোথাও উভয়কেই সরানোর সিদ্ধান্ত শুরু হতে পারে আগামী সপ্তাহ থেকেই। এক্ষেত্রে, পারফরম্যান্সকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে – জনসংযোগ, নাগরিক পরিষেবা দেওয়ার ক্ষমতা ও দলের অন্দরে তার ভূমিকা এই মাপকাঠিতেই বিচার হচ্ছে।
হাওড়ার পুর প্রশাসকের পদত্যাগের পরেই থেকে নাড়াচাড়া শুরু হয়েছে সর্বত্র। সূত্রের খবর, নিজে থেকেই ইস্তফা দিতে বলা হবে। না দিলে সরানো হবে। বর্তমান অবস্থায় এই নিয়ে কোনও হইচই না করে নীরবে সেরে ফেলতে চায় শীর্ষ নেতৃত্ব।
পুরসভা ভিত্তিক এলাকাগুলির বিশ্লেষণে বসলে দেখা যাবে, সব জায়গায় ফলাফল কিন্তু এক নয়। এই যেমন বিধাননগর, আসানসোল এবং শিলিগুড়ি সহ অধিকাংশ এলাকায় এগিয়ে আছে বিজেপি। আবার হাওড়া কিংবা কলকাতায় এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। শহর কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৪৫টি ওয়ার্ডে লিড নিয়েছে বিজেপি। একটি ওয়ার্ডে আবার এগিয়ে রয়েছে সিপিএম।
গত ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যের ১২১টি পুরসভায় নির্বাচন হয়েছিল। ভোটের ফলাফল অনুযায়ী, নদিয়ার তাহেরপুর পুরসভা বাদ দিয়ে বাকি ১১৮ টি পুরসভাই যায় তৃণমূলের দখলে। একমাত্র তাহেরপুর পুরসভা ছিল সিপিএমের দখলে। ঝালদার দখল পরে নেয় তৃণমূল। সামনে বিধানসভা ভোট। তার আগে পুর ভোটে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে চায় শাসকদল।
October 29, 2025 9:16 AM IST