Mumbai Boy Death: টিউশনে যেতে বলেছিল মা, রেগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৪ বছরের কিশোরের! ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য…

Mumbai Boy Death: টিউশনে যেতে বলেছিল মা, রেগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৪ বছরের কিশোরের! ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য…

Last Updated:

Mumbai Boy Death: মুম্বইয়ের কান্দিভলি এলাকায় টিউশন ক্লাসে যেতে বলায় এক ১৪ বছরের কিশোর বহুতল ভবন থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এই ঘটনায় সমাজে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব এবং পরিবারে সংবেদনশীল যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, জানুন বিস্তারিত…

টিউশনে যেতে বলেছিল মা, রেগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৪ বছরের কিশোরের! ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য...Representative ImageMumbai Boy Death: টিউশনে যেতে বলেছিল মা, রেগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৪ বছরের কিশোরের! ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য…
টিউশনে যেতে বলেছিল মা, রেগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৪ বছরের কিশোরের! ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য…Representative Image

মুম্বই: মুম্বইয়ের কান্দিভলি এলাকায় একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে যেখানে মাত্র ১৪ বছর বয়সের এক ছাত্র নিজের জীবনের ইতি টেনে দেয় শুধুমাত্র টিউশন ক্লাসে যেতে অস্বীকার করার পর। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই কিশোর তার মায়ের সঙ্গে টিউশন নিয়ে বচসার পরে বহুতল ভবন থেকে ঝাঁপ দেয় এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

কি ঘটেছিল সেই দিন? এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। মৃত কিশোরের নাম পন্ত আরতি মাকওয়ানা। সন্ধ্যা ৭টার সময় তার মা তাকে টিউশন ক্লাসে যেতে বলেন। ছেলেটি তাৎক্ষণিকভাবে অস্বীকার করে এবং রেগে গিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর কিছু সময় পর ভবনের ওয়াচম্যান দেখতে পান যে ছেলেটি নিচে পড়ে আছে। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের পদক্ষেপ ও তদন্ত কান্দিভলি থানার পুলিশ এই ঘটনার পর ADR (Accidental Death Report) নথিভুক্ত করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এখনো পর্যন্ত কোনও সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি।

তবে ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে যাতে ঘটনার প্রকৃত কারণ বোঝা যায়। ছেলেটির পরিবারও এই ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।

সমাজে বার্তা ও প্রশ্ন এই ঘটনা সমাজে বড় প্রশ্ন তুলেছে—বাচ্চারা কেন এমন তুচ্ছ কারণেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে? মানসিক চাপ, পড়াশোনার উদ্বেগ, এবং বাবা-মায়ের প্রত্যাশার ভার যেন কখনো কখনো সহ্য করতে পারছে না নতুন প্রজন্ম।

মনোবিদরা বলছেন, বাবা-মায়ের উচিত সন্তানের মানসিক অবস্থার প্রতি বেশি মনোযোগ দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে কাউন্সেলিংয়ের সাহায্য নেওয়া।

Scroll to Top