
ওপেনিংয়ে নেমে কোহলি ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৯ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল পাঁচটি করে চার ও ছক্কা। শুরু থেকেই রান তাড়ার চাপ সামলে রেখে তিনি ইনিংসটি এগিয়ে নেন, যা দলের জয়ের পথ সহজ করে দেয়। ম্যাচের গতিপ্রকৃতি দেখলে বোঝা যায়, লক্ষ্য যত বড়ই হোক, পরিকল্পিত ব্যাটিং কীভাবে ফল এনে দিতে পারে।
এই পারফরম্যান্সে কোহলির দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ছাপ স্পষ্ট ছিল। আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেট থেকে ২০২৪ সালে অবসর নেওয়ার পরও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে তার ধারাবাহিকতা অটুট রয়েছে। বিশেষ করে রান তাড়ার সময় তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা আবারও সামনে এসেছে।
ম্যাচ শেষে স্বাভাবিকভাবেই উদযাপনের মুহূর্ত তৈরি হয়। জয় নিশ্চিত করার পর কোহলি মাঠেই নিজের পরিচিত ভঙ্গিতে আকাশের দিকে হাত তোলেন। এরপর গ্যালারিতে থাকা স্ত্রী Anushka Sharma-র দিকে একটি ফ্লাইং কিস ছুড়ে দেন। জবাবে অনুষ্কাও একইভাবে প্রতিক্রিয়া জানান। সেই দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
এই ম্যাচে আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল কোহলির ব্যক্তিগত মাইলফলক। আইপিএল ইতিহাসে রান তাড়া করতে নেমে ৪,০০০-এর বেশি রান করার রেকর্ড গড়েছেন তিনি। ২০০৮ সাল থেকে একই দলের হয়ে খেলে আসা এই ব্যাটারের ধারাবাহিকতা পরিসংখ্যানেও প্রতিফলিত হচ্ছে।
এই তালিকায় তার পরেই রয়েছেন David Warner, যার রান তাড়ার মোট সংগ্রহ ৩,২৮৫। ব্যবধানটি কোহলির আধিপত্যই নির্দেশ করে। রান তাড়ার ক্ষেত্রে তার দক্ষতা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায়, এই ম্যাচে সেটি আরও একবার প্রমাণিত হলো।
মৌসুমের শুরুতেই এমন জয় Indian Premier League-এ বেঙ্গালুরুর আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। একই সঙ্গে কোহলির ফর্ম দলের জন্য ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে, যা সামনে ম্যাচগুলোতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
এই ম্যাচের পর আপাতত স্পষ্ট—অভিজ্ঞতা ও স্থিরতা মিললে বড় লক্ষ্যও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, আর সেই জায়গাতেই পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন কোহলি।
পোস্ট Hyderabad-কে হারাল RCB, আনুশকার আদুরে চুমু ভাইরাল! প্রথম হাজির বাংলা খবর.



