Hooghly News: ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে বসেছে ৫০ লক্ষের অক্সিজেন প্লান্ট! সাশ্রয় বছরে ৪ কোটি টাকা

Hooghly News:  ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে বসেছে  ৫০ লক্ষের অক্সিজেন প্লান্ট! সাশ্রয় বছরে ৪ কোটি টাকা

Last Updated:

হুগলি জেলা সদর হাসপাতালে বসেছে জীবনদায়ী অক্সিজেন প্ল্যান্ট। আর হাসপাতালে রোগীদের জন্য বাইরে থেকে আনতে হবে না অক্সিজেন। একেবারে হাসপাতালের মধ্যেই অক্সিজেন প্লান্টে অক্সিজেন তৈরি হয়ে তা সরাসরি পৌঁছে যাবে রোগীদের কাছে।

X

Hooghly News:  ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে বসেছে  ৫০ লক্ষের অক্সিজেন প্লান্ট! সাশ্রয় বছরে ৪ কোটি টাকা

অক্সিজেন প্লান্ট এর ছবি

হুগলি: হুগলি জেলা সদর হাসপাতালে বসেছে জীবনদায়ী অক্সিজেন প্ল্যান্ট। আর হাসপাতালে রোগীদের জন্য বাইরে থেকে আনতে হবে না অক্সিজেন। একেবারে হাসপাতালের মধ্যেই অক্সিজেন প্লান্টে অক্সিজেন তৈরি হয়ে তা সরাসরি পৌঁছে যাবে রোগীদের কাছে। সেই মোতাবেক বসেছে বিশাল আকার জাম্বো অক্সিজেন সিলিন্ডার। যে সিলিন্ডারে ১৩ হাজার লিটার তরল অক্সিজেন জমা থাকবে। রাজ্য সরকারের ৫০ লক্ষ টাকা খরচে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে তৈরী হয়েছে এই প্রকল্প।

আরও পড়ুন: প্রাণ বাঁচাতে এদিক ওদিক ছুটল মানুষ! বারাসতের জাতীয় সড়কে যেন সিনেমা!

হুগলি জেলা হাসপাতাল চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে বসেছে, লিকুইড মেডিকেল অক্সিজেন বা এলএমও প্ল্যান্ট। এতদিন অক্সিজেন ছোটো ছোটো সিলিন্ডারে ভরে গাড়ি করে আনা হত।এখন জাম্বো সিলিন্ডার থেকে সরাসরি ওয়ার্ডে অক্সিজেন সরবরাহ হবে পাইপ লাইনের মাধ্যমে। এর ফলে বছরে চার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে স্বাস্থ্য দফতরের।

আরও পড়ুন: আকাশ ছোঁয়া পাইনবন হোক স্বপ্নের ঠিকানা! বন দফতরের বিরাট উদ্যোগ! জানুন

জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারীক মৃগাঙ্ক মৌলি কর জানান, অক্সিজেনের চাহিদার কথা মাথায় রেখে স্বাস্থ্য দপ্তরে আবেদন করা হয়েছিল। সেইমত ৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। তরল অক্সিজেন ট্যাঙ্কারে করে ভরে দিয়ে যাবে, তা দশ দিন চলবে।শেষ হওয়ার আগে আবার রিফিল করা হবে। গাড়ি করে ছোটো সিলিন্ডারে অক্সিজেন ভরে আনায় অনেক ঝক্কি ছিল তা আর পোহাতে হবে না। যে কর্মিরা অক্সিজেন সরবরাহের দায়িত্বে থাকতেন তাদের আর ২৪ ঘন্টা সতর্ক থাকতে হবে না। পাইপ লাইন করাই আছে হাসপাতালে যার মাধ্যমে সরাসরি আইসিইউ, ওটি, থেকে প্রয়োজনীয় সব ওয়ার্ডে রোগির বেডে পৌঁছে যাবে অক্সিজেন। এতে করে এককালীন হয়ত কিছু টাকা খরচ হল কিন্তু এর ফলে দীর্ঘ মেয়াদী সুবিধা হবে। যে সংস্থা এই কাজ করেছে তারাই রক্ষনাবেক্ষন করবে।

এলাকার বাসিন্দা থেকে রোগির পরিজন বলছেন, অক্সিজেনের প্রয়োজন মেটাতে স্বাস্থ্য দফতরের এই উদ্যোগ খুবই কাজে লাগবে। করোনা কালে অক্সিজেনের হাহাকার দেখা দিয়েছিল।সেরকম পরিস্থিতি হলে এবার আর কোনো সমস্যা হবে না। ইমামবারা জেলা হাসপাতালে সাড়ে ছ’শো বেড আছে। আগামী দিনে আরো বেড বারবে। তখন এই প্ল্যান্ট খুবই কার্যকরি হবে বলে জানান হাসপাতাল সুপার অমিতাভ মন্ডল। তিনি বলেন,বছরে দশ কোটি টাকা খরচ হত অক্সিজেনের জন্য।এখন তা থেকে প্রায় চার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

রাহী হালদার

Next Article

Bangla News: হঠাৎ ঘাটালে NDRF, ‘জলশূন্য’ ঝুমি নদীতে ছুটল স্পিডবোট, কী ঘটল সেখানে?

Scroll to Top