
কনসালট্যান্ট গাইনোকোলজি-অঙ্কোলজি, রোবোটিক সার্জারি, ডাঃ রোহিত রঘুনাথ রানাডে বলেন, ‘‘এই ক্যানসারগুলি তখন বিকশিত হয় যখন এই অঙ্গগুলির অস্বাভাবিক কোষগুলি অনিয়ন্ত্রিতভাবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা টিউমার তৈরি করে। বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, জেনেটিক মিউটেশন, নির্দিষ্ট রাসায়নিক বা পদার্থের সংস্পর্শে আসা এবং হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (HPV) এর মতো কিছু সংক্রমণ সহ একাধিক কারণে মহিলারা গাইনোকোলজিক্যাল ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে বেশি থাকেন।”

