East Medinipur News: এক কথাতেই কোন শর্ত ছাড়াই ১২ হাজার বই দান! তমলুকের এই ব্যক্তিকে কুর্নিশ না জানিয়ে থাকা যায়!

East Medinipur News: এক কথাতেই কোন শর্ত ছাড়াই ১২ হাজার বই দান! তমলুকের এই ব্যক্তিকে কুর্নিশ না জানিয়ে থাকা যায়!

Last Updated:

তমলুকের এক ব্যক্তি নিঃস্বার্থে প্রায় ১২ হাজার বই তুলে দিলেন একটি সংস্থাকে।

X

East Medinipur News: এক কথাতেই কোন শর্ত ছাড়াই ১২ হাজার বই দান! তমলুকের এই ব্যক্তিকে কুর্নিশ না জানিয়ে থাকা যায়!

বই তুলে দিচ্ছেন কবি অমৃত মাইতি

তমলুক: বলা হয় বই হল অমূল্য সম্পদ। যদিও বর্তমান দিনে বই পড়ার চল উঠে গিয়েছে। কিন্তু এখনও বহু মানুষ বই পড়ার প্রতি বা বইয়ের প্রতি অগাধ ভালোবাসা নিয়ে জীবন কাটাচ্ছেন। সেরকমই এক ব্যক্তি হল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামের বাসিন্দা অমৃত মাইতি। শুধুমাত্র বইয়ের প্রতি ভালোবাসা থেকেই লাইব্রেরী গড়ে তুলতে দেশ বিদেশের নানা খ্যাতনামা লেখকের বই সহ প্রায় ১২ হাজার বই তুলে দিলেন একটি সংস্থাকে। নিঃশর্তে তিনি এই বই দান করলেন।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কার্যালয় সংলগ্ন নিমতৌড়ি তমলুক উন্নয়ন সমিতি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এই সংস্থা মূলত, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ওপর কাজ করে চলেছে। এর পাশাপাশি বাবা মা হারা শিশুদের শিক্ষা দীক্ষার পাশাপাশি তাদের জীবনে কর্মঠ করে তোলার কাজ করছে প্রতিনিয়ত। এই সংস্থা বিনামূল্যে একটি স্কুল ও পরিচালনা করে। এই সংস্থা এবার একটি লাইব্রেরী গড়ে তোলার উদ্দেশ্য নেয়। গ্রন্থ মন্দির নামে লাইব্রেরী গড়ে তোলা হবে। লাইব্রেরীর প্রধান উপকরণ বই। তাই লাইব্রেরী গড়ে তুলতে নিঃশর্তে নিজের সংগ্রহে থাকা প্রায় বারো হাজার বই তুলে দেন অমৃত মাইতি।

এ বিষয়ে নিমতৌড়ি তমলুক উন্নয়ন সমিতির সাধারণ সম্পাদক যোগেশ সামন্ত জানান, ‘অনেকদিন ধরেই সাধারণ মানুষ ছাত্র-ছাত্রী ও মহিলাদের জন্য একটি পাবলিক লাইব্রেরি গড়ে তোলার চিন্তাভাবনা নেওয়া হয়েছিল। অবশেষে সেই লাইব্রেরী গড়ে তোলার কাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। লাইব্রেরীর প্রধান উপকরণ বই।

বই নিয়ে অনেকটা চিন্তা ভাবনা ছিল। কিন্তু জেলার কবি সাহিত্যিক অমৃত মাইতি নিঃশর্তে তাঁর সংগ্রহে থাকা দেশ-বিদেশের নানান লেখকের বই সহ প্রায় ১২ হাজার বই তুলে দিলেন।’

আরও পড়ুন: দিঘা যাবেন শীতে? জানেন তো সেখানে এখন কি চলছে? বুঝে-শুনে যান

আরও পড়ুন: জগদ্ধাত্রী পুজোর আগে শীতে কামড় নয়, বৃষ্টির সম্ভাবনা কোন কোন জেলায়? জানুন

নিমতৌড়ি তমলুক উন্নয়ন সমিতি সাধারণ মানুষের জন্য জন্য একটি গ্রন্থমন্দির লাইব্রেরী করে গড়ে তোলার কাজ করছি। লাইব্রারি গড়ে তোলার কাজ তার কাজ দ্রুত চলছে। এই লাইব্রেরীতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ব্যক্তি এবং কৃষক বন্ধুদের উপযোগী কিছু আরও বই আনা হবে। এছাড়াও ছাত্রদের অনুপ্রেরণা জাগানোর জন্য ছাত্রদের উপযোগী কিছু বই, শিশুদের উপযোগী ও শিশুদের আইন সম্বন্ধে জানার জন্য, নারীর ক্ষমতায় সম্পর্কে জানা যায় সে সকল বই, সংবিধানের সম্বন্ধে জানার জন্য প্রতিবন্ধীদের বিভিন্ন আইন সম্পর্কে জানা যায় সেই রকম কিছু বই এই গ্রন্থাগারের রাখা হবে বলে জানান প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।

সৈকত শী 

Scroll to Top