Last Updated:
East Burdwan: তিরবিদ্ধ অবস্থায় রাস্তায় ঘুরছিল অবলা পথকুকুর। রক্তে ভেজা শরীরে ব্যথায় ছটফট করছিল সে। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়ে ক্রমশ মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছিল। তবে ধন্বন্তরির মতো এসে তার প্রাণ বাঁচালেন পশুপ্রেমী আমির শেখ।

আউশগ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম ব্লকের অমরপুর গ্রামে ঘটেছে এক হৃদয়বিদারক এবং একই সঙ্গে মানবিক ঘটনা। প্রায় চার-পাঁচ দিন ধরে রাস্তায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল এক অবলা পথসারমেয়। তার পিঠের কাছে গভীরভাবে গেঁথে ছিল একটি তির। রক্তে ভেজা শরীরে ব্যথায় ছটফট করছিল সে। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল সম্পূর্ণভাবে। চোখে মুখে ছিল নিদারুণ যন্ত্রণার ছাপ। তবুও কেউ সাহায্য করতে না পারায় আশেপাশের রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল সেই অবলা প্রাণীটি। স্থানীয় কিছু পশুপ্রেমী মানুষ চেষ্টা করেও তিরটি বের করতে পারেননি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বনকর্মীদের খবর দেওয়া হলেও তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে অবস্থার পর্যালোচনা করে ফিরে যান। এলাকায় পশুচিকিৎসকের অভাব থাকায় চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা সম্ভব হয়নি। সেই অসহায় পরিস্থিতিতেই ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছিল ওই পথসারমেয়টি। ঠিক এমন এক সময়ে, ভাতার থানার মুরাতিপুর গ্রামের বাসিন্দা পশুপ্রেমী আমির শেখের কাছে খবর পৌঁছয়।
স্থানীয়রা বলেন, “আমির না এলে হয়তো সেই অবলা প্রাণীটি বাঁচত না। ওর মতো মানুষই আজকের সমাজে দরকার।” আমির শেখ বলেন, “এই তির মারার কাজ মানুষই করেছে। ওরা তো অবলা প্রাণী, ওদের কারও ক্ষতি করার অধিকার আমাদের নেই। আমি সবাইকে অনুরোধ করব ওদের ভালোবাসুন, সাহায্য করুন। ওরা কষ্টে পড়লে দেখার কেউ থাকে না, তাই আমাদেরই সচেতন হতে হবে।”
আমির শেখের এই কাজ যেন আবারও প্রমাণ করল, মানবতা এখনও বেঁচে আছে। একজন মানুষের সহানুভূতি ও সাহস এক অবলা প্রাণীর জীবন বাঁচাতে পারে। আমির শেখের এই কাজ সত্যিই প্রশংসনীয়।
Barddhaman (Bardhaman),Barddhaman,West Bengal
November 09, 2025 3:17 PM IST
East Burdwan: তিরবিদ্ধ অবস্থায় রাস্তায় ঘুরছিল অবলা সারমেয়, চোখে-মুখে নিদারুণ যন্ত্রণা, প্রাণ বাঁচাতে ধন্বন্তরি হয়ে এলেন বর্ধমানের যুবক

