East Bardhaman News: ৩ লাখ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে রাজ্য! চাষিদের এই প্রকল্পে বিরাট সুযোগ দিচ্ছে সরকার

East Bardhaman News: ৩ লাখ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে রাজ্য! চাষিদের এই প্রকল্পে বিরাট সুযোগ দিচ্ছে সরকার

Last Updated:

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পোর্টালে এই ড্রোনের দাম রয়েছে সাত লক্ষ টাকা।

X

East Bardhaman News: ৩ লাখ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে রাজ্য! চাষিদের এই প্রকল্পে বিরাট সুযোগ দিচ্ছে সরকার

ড্রোন প্রদর্শন 

পূর্ব বর্ধমান: এবার কৃষিকাজেও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ। জমিতে কীটনাশক স্প্রে করার জন্য আর মাঠে নামার প্রয়োজন হবে না। ড্রোনের মাধ্যমেই হবে সম্পূর্ণ কাজ। ড্রোনের সাহায্যে অল্প সময়ের মধ্যে একাধিক জমি স্প্রে করা সম্ভব হবে। সেরকমই এই ড্রোন প্রদর্শন করা হল চাষিদের সামনে। কীভাবে ড্রোনের সাহায্যে জমিতে স্প্রে করা সম্ভব সেটাই দেখান হল চাষিদের। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ১ ব্লকের সহ কৃষি অধিকর্তা দফতরের উদ্যোগে, রাজোয়া গ্রামে চাষিদের জন্য এই আয়োজন করা হয়েছিল।

কাটোয়া ১ ব্লকের সহ কৃষি অধিকর্তা দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনোলজি ম্যানেজার মাসুদ আলম বলেন, “ড্রোন দিয়ে কিভাবে স্প্রে করা হয় সেটাই চাষিদের দেখান হল। এলাকার প্রায় ৫০ জন চাষি উপস্থিত ছিলেন।” ডিজিসিএ অনুমোদিত পাইলট সুমন কর্মকারের কথায়, ড্রোন দিয়ে স্প্রে করলে প্রত্যেকদিন ৩০ বিঘা জমি স্প্রে করা সম্ভব হবে। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই এক একর জমি স্প্রে করা হয়ে যাবে। আবার অনেক সময় সাপে কামড়ানোর জন্য জমিতে অনেক মানুষ মারা যান, এখানে সেই বড় বিপদের হাত থেকেও রক্ষা পাওয়া যাবে।”

আরও পড়ুন: এই শীতে সপ্তাহান্তের ছুটিতে ঘুরে আসুন কলকাতার কাছেই ‘অফবিট’ সব জায়গা থেকে, রইল হদিশ

সুমন কর্মকার এই বিষয়ে আরও জানিয়েছেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পোর্টালে এই ড্রোনের দাম রয়েছে সাত লক্ষ টাকা। এর মধ্যে থেকে তিন লক্ষ টাকা সরকার সাবসিডি দিচ্ছে। চাষিরা বিভিন্ন অর্গানাইজেশনের মাধ্যমে অথবা ব্যক্তিগতভাবেও এই ড্রোন ক্রয় করতে পারবেন। যেখান থেকে ড্রোন পারচেজ করা হবে সেখান থেকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই ড্রোন দিয়ে ভাড়া খাটান সম্ভব, তবে সেক্ষেত্রে ডিজিসিএ অনুমোদিত লাইসেন্স লাগবে।”

আরও পড়ুন: শহীদ নয়, এবার জীবিত সৈনিকের মূর্তি স্থাপন করে নজির গড়ল বর্ধমান! কারণ জানলে স্যালুট জানাবেন

চাষিদের কথায় কৃষিকাজেও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রয়োজন রয়েছে। তার কারণ বর্তমানে লেবার পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এছাড়াও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাপে কামড়ানোর ভয় থেকেই যায়। তাছাড়া ভিন্ন ভিন্ন সিজনে আলাদা আলাদা পোকার আক্রমণও হচ্ছে জমিতে। যেকারণে ফসলের উৎপাদনও কমে যাচ্ছে। তাই চাষিদের মতে ট্রাক্টর, ধান কাটা মেশিনের মত স্প্রে করার ক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহারেরও প্রয়োজন রয়েছে। নির্দিষ্ট কৃষিদফতরে যোগাযোগ করলে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। চাষিরাও এই ড্রোনের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন বর্তমানে।

বনোয়ারীলাল চৌধুরী

Scroll to Top