Bargabhima Temple: একান্ন সতীপীঠের অন্যতম! সতীর বাম পায়ের গোড়ালি পড়েছিল এখানে, দীপান্বিতা অমাবস্যায় বর্গভীমা মন্দিরে বিশেষ পুজোপাঠ

Bargabhima Temple: একান্ন সতীপীঠের অন্যতম! সতীর বাম পায়ের গোড়ালি পড়েছিল এখানে, দীপান্বিতা অমাবস্যায় বর্গভীমা মন্দিরে বিশেষ পুজোপাঠ

Last Updated:

Bargabhima Temple: তমলুক শহরে দেবী বর্গভীমা মায়ের মন্দির রয়েছে। পুরাণে বর্ণিত এই মন্দির একান্ন সতী পীঠের একপীঠ। মা এখানে ভীমাকালী রূপে পূজিতা হন। দীপান্বিতা অমাবস্যায় ভোরে মাকে স্নান করিয়ে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে তোলার পর শুরু হয় বিশেষ পুজোপাঠ।

+

Bargabhima Temple: একান্ন সতীপীঠের অন্যতম! সতীর বাম পায়ের গোড়ালি পড়েছিল এখানে, দীপান্বিতা অমাবস্যায় বর্গভীমা মন্দিরে বিশেষ পুজোপাঠ

দেবী বর্গভীমা

তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর, সৈকত শী: দীপান্বিতা অমাবস্যা তিথিতে শ্যামাকালীর পুজো হয়। এই কালীপুজোর দিন বিশেষ পুজোপাঠ হয় দেবী বর্গভীমা মন্দিরে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অধিষ্ঠাত্রী দেবী বর্গভীমা মায়ের মন্দির। প্রাচীন তাম্রলিপ্ত অধুনা তমলুক শহরে দেবী বর্গভীমা মায়ের মন্দির রয়েছে। পুরাণে বর্ণিত এই মন্দির একান্ন সতীপীঠের একপীঠ। মা এখানে ভীমাকালী রূপে পূজিতা হন। বছরের প্রতিদিনই মায়ের পুজোপাঠ চলে। বিশেষ তিথিতে বিশেষ পুজোপাঠ হয় মন্দিরে। কালীপুজোর ভোর থেকেই শুরু হয় বিশেষ পুজোপাঠ।

এদিন ভোরে মাকে স্নান করিয়ে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে তোলার পর শুরু হয় পুজোপাঠ। তমলুকের শক্তিপিঠের প্রাচীন নাম বিভাস। দেবী এখানে বর্গভীমা বা ভীমারূপা নামে অধিষ্ঠিত। ভৈরব সর্বানন্দ মতান্তরে কপালি। মহামায়া সতীর দেহাংশের মধ্যে বাম গুল্ফ বা বাম পায়ের গোড়ালি পড়েছিল এখানে।

এ বিষয়ে মন্দিরের পুরোহিত প্রণব চক্রবর্তী জানান, “সতীর একান্ন পীঠের এক পীঠ তমলুকের দেবী বর্গভীমা, বর্তমানেও নিষ্ঠার সঙ্গে পুজিত হন মা। শক্তি পুজো শুরুর আগে রয়েছে অনুমতি নেওয়ার প্রথা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সদর ঐতিহাসিক তাম্রলিপ্ত বা তমলুকের আজও মধ্যমণি মা বর্গভীমা। কয়েক হাজার বছর ধরে শক্তি স্বরূপিণী আদ্যাশক্তি মহামায়া রূপে দেবী বর্গভীমার আরাধনা চলে আসছে।” ওড়িশি স্থাপত্যের আদলে এই দেউলের উচ্চতা প্রায় ৬০ ফুট। মন্দিরের দেওয়ালে টেরাকোটার অজস্র কাজ। তার মধ্যেই মন্দিরের গর্ভগৃহে কালো পাথরে তৈরি মায়ের মূর্তি বিরাজ করছে দেবী উগ্রতারা রূপে।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

তমলুক পরগনায় বর্তমানে ক্লাব প্রতিষ্ঠান হোক বা বাড়ির, প্রথমে দেবী বর্গভীমা মাকে পুজো দিয়ে‌ অনুমতি নিয়ে শুরু হয় পুজো। দেবী বর্গভীমা মায়ের মন্দিরে সকাল থেকেই পুজো দেওয়ার লম্বা লাইন। শুধু মেদিনীপুর জেলার মানুষজন নয় পার্শ্ববর্তী হাওড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর-সহ বিভিন্ন জেলার মানুষ কালীপুজোর দিন মন্দিরে পুজো দেওয়ায় জন্য ভিড় করেন। দীপান্বিতা অমাবস্যায় রাজরাজেশ্বরী রূপে পূজিত হন দেবী বর্গভীমা। সারাদিন ধরে চলে দেবীর নানান ধরনের উপাচার-সহ পুজোপাঠ।

বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/

Bargabhima Temple: একান্ন সতীপীঠের অন্যতম! সতীর বাম পায়ের গোড়ালি পড়েছিল এখানে, দীপান্বিতা অমাবস্যায় বর্গভীমা মন্দিরে বিশেষ পুজোপাঠ

Scroll to Top