Bardhaman News: বাংলাকে চাম্পিয়ান করেছে ছেলে, আনন্দে চোখে জল মায়ের! শুধু দুঃখ একটাই….

Bardhaman News: বাংলাকে চাম্পিয়ান করেছে ছেলে, আনন্দে চোখে জল মায়ের! শুধু দুঃখ একটাই….

Bardhaman News: বাংলাকে চাম্পিয়ান করেছে ছেলে, আনন্দে চোখে জল মায়ের! শুধু দুঃখ একটাই….

Last Updated:

Bardhaman News: ছেলে রবি হাঁসদা আজ সবার নয়নের মণি। তার দেওয়া একমাত্র গোলেই হায়দরাবাদে কেরলকে হারিয়ে এবার সন্তোষ ট্রফি জয় করেছে বাংলা।

চোখে জল তুলসী হাঁসদার

বর্ধমান : চোখে জল তুলসী হাঁসদার। ছেলের কথা বলতে গিয়ে কাঁদছেন। ছেলে রবি হাঁসদা আজ সবার নয়নের মণি। তার দেওয়া একমাত্র গোলেই হায়দরাবাদে কেরলকে হারিয়ে এবার সন্তোষ ট্রফি জয় করেছে বাংলা। কলকাতায় দল ফিরতেই তাঁকে মালা পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। সেসব টিভিতে দেখেছেন তুলসী। তাই আজ তাঁর চোখে জল। দীর্ঘদিন ধরে দেখা একটা স্বপ্ন সফল হয়েছে তাঁর।

বাংলাকে সন্তোষ ট্রফি চাম্পিয়ান করেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের মুশারু গ্রামের রবি হাঁসদা। শুধু চাম্পিয়ান করাই নয়, বারোটি গোল করে সন্তোষ ট্রফির সেরা গোলদাতা রবি। তাঁর এই সাফল্যে উল্লসিত রবির গ্রাম। ছেলের সাফল্যে চোখে জল মা তুলসী হাঁসদার।

আরও পড়ুন: ভারত না পাকিস্তান…! কোন ‘দেশকে’ বেশি পছন্দ করেন বাংলাদেশিরা? চমকে দেবে সমীক্ষা!

খুবই গরিব পরিবারের বড় হয়ে ওঠা রবির। বাবা মা দিন মজুরি করে রবিকে বড় করেছেন। পরের জমিতে কাজ করে ছেলের খেলার খরচ জুগিয়েছেন তাঁরা। ছ মাস হল গত হয়েছেন রবির বাবা সুলতান হাঁসদা। মা তুলসীর চোখে জল। আফসোস, এই দিনটা যদি দেখে যেতে পারতেন রবির বাবা। চাইছেন, এবার রবিকে একটা চাকরি দিক সরকার। দেশের হয়ে খেলুক রবি।

আরও পড়ুন: আবহাওয়ার চরম সতর্কবার্তা…! আগামী ৩ দিন ৪ রাজ্য কাঁপাবে মুষলধারে বৃষ্টি, ঘন কুয়াশা! কী হবে বাংলায়? জানিয়ে দিল IMD

মাটির ঘর। সেখানেই থরে থরে সাজানো নানান পুরস্কার। দশ বছর বয়স থেকেই ফুটবল খেলার তীব্র ঝোঁক দেখা যায় রবির মধ্যে। তাঁকে উৎসাহ দিতেন বাবা। চাইতেন, ছেলে একদিন বিরাট ফুটবলার হবে। তাকে নিয়ে গর্ব করবে সবাই। আজ রবির নাম সকলের মুখে মুখে ফিরছে। ছেলের বাড়ি ফেরার পথ চেয়ে রয়েছেন মা।

আরও পড়ুন: কোন ‘জিনিস’ পকেটে থাকলে সাপ পালায় বলুন তো…? ‘নাম’ শুনলেই চমকাবেন!

ঘরের দাওয়া গোবর জল দিয়ে নিকোনোর কাজ সেড়ে রবির মা তুলসী হাঁসদা বললেন, ওর বাবাও ভাল ফুটবল খেলতো। আশপাশের গ্রামে ফুটবলার হিসেবে তাঁরও বেশ নামডাক ছিল। ছেলেটারও দশ বছর বয়স থেকেই ফুটবল ধ্যানজ্ঞান হয়ে ওঠে। ওর বাবা উৎসাহ দিত। চাইত ছেলে বড় খেলোয়াড় হোক। আমিও বাধা দিইনি। আমি ও আমার স্বামী দিন মজুরি করে যে টাকা পেতাম তা দিয়ে ছেলের খরচ মেটাতাম। আজ আমাদের সেই স্বপ্ন সফল। ওর বাবা ছ’মাস হল মারা গিয়েছেন। তিনি আজ এই দিনটা দেখে গেলে আরও আনন্দ হত।

বাংলা খবর/ খবর/খেলা/

Bardhaman News: বাংলাকে চাম্পিয়ান করেছে ছেলে, আনন্দে চোখে জল মায়ের! শুধু দুঃখ একটাই….

Scroll to Top