‘কী পরিমাণ যে ঘামাচ্ছিল ভাই…’ সংবাদ সম্মেলন ছেড়ে যেতে যেতে কথাটা বলছিলেন তাসকিন আহমেদ। তবু হাল ছাড়েননি, সারা দিনে ১৪ ওভার বোলিং করেছেন। সিলেট টেস্টে তাঁর হাত ধরে বাংলাদেশ দুর্দান্ত শুরুও পেয়েছিল। নিজের প্রথম ৫ ওভারেই এনে দেন ২ উইকেট।
কিন্তু প্রতি ওভারেই ঘামানো শরীর নিয়ে বাউন্ডারি লাইনের কাছে ফিল্ডিং করতে দেখা যায় তাঁকে, সেখানেই ঘাম মুছে তাসকিন তৈরি হয়েছেন পরের ওভারের জন্য। ২ উইকেট নিয়ে ৭ ওভারের প্রথম স্পেলটা তাসকিন যখন শেষ করেন, উইকেটে তখনো পেসারদের বল মুভ করছে। কিন্তু দুই পেসারের একাদশ সাজানো বাংলাদেশকে তখন বোলিংয়ে নিয়ে আসতে হয় স্পিনারদের।
এ নিয়ে দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে হতাশার কথা শোনা গেল তাসকিন আহমেদের কণ্ঠেও, ‘একপর্যায়ে মনে হয়েছে যে আরেকজন পেসার থাকলে হয়তো ভালো হতো। কারণ, সকালের এক ঘণ্টার ময়েশ্চার ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পেরেছিলাম আমরা, তখন মনে হচ্ছিল যে আরেকজন পেসার থাকলে হয়তো আরেকটু লম্বা সময় বোলিং করা যেত।’

