
বাংলাদেশের করপোরেট জগতে কয়েক দশকের পথচলায় নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন রুবাবা দৌলা। বিপণন, ব্র্যান্ড ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও ব্যবসায়িক নেতৃত্ব—প্রতিটি ক্ষেত্রেই রয়েছে তার কাজের অভিজ্ঞতা। দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের শুরুর সময় থেকে গ্রাহক তৈরি, ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা এবং নতুন সেবা চালুর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। গ্রামীণফোনের বিপণন বিভাগে কর্মজীবন শুরু করে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে এয়ারটেলের প্রধান সেবা কর্মকর্তা ও এমকমার্স বিভাগের নেতৃত্ব দিয়েছেন। বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকলের বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল, লন্ডন বিজনেস স্কুল এবং স্টকহোম স্কুল অব ইকোনমিকসে নির্বাহী পর্যায়ের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। প্রায় তিন দশকের করপোরেট অভিজ্ঞতায় ব্র্যান্ড ব্যবস্থাপনা, পণ্য উদ্ভাবন, সেবার আধুনিকায়ন ও ব্যবসায়িক কৌশল প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। গ্রামীণফোনকে শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠার যাত্রায় তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। এয়ারটেলে সেবার আধুনিকায়ন ও মোবাইলভিত্তিক বাণিজ্যিক সেবা চালুর ক্ষেত্রেও নেতৃত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠা করেছেন পালস হেলথকেয়ার সার্ভিসেস, একটি ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা প্ল্যাটফর্ম। পেশাগত স্বীকৃতির পাশাপাশি নারী নেতৃত্ব, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও রয়েছে তাঁর সম্পৃক্ততা। ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
দীর্ঘ এই কর্মজীবনে তিনি দেখেছেন প্রযুক্তির হাত ধরে কীভাবে বদলে গেছে বাজার, ব্যবসা এবং ভোক্তার আচরণ। একসময় বিপণনের প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল পণ্য ও সেবার পরিচিতি তৈরি করে তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এখন সেই কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ, গ্রাহকের ব্যক্তিগত পছন্দ শনাক্ত করা, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রতিটি গ্রাহকের জন্য আলাদা অভিজ্ঞতা তৈরি করা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এই পরিবর্তনকে আরও গতিশীল করেছে।
রুবাবা দৌলার মতে, বিপণনের মূল দর্শন একই থাকলেও তা বাস্তবায়নের পদ্ধতি আমূল বদলে গেছে। ভোক্তাকে বোঝা, তার প্রয়োজন শনাক্ত করা এবং সেই অনুযায়ী পণ্য ও সেবা পৌঁছে দেওয়াই বিপণনের মূল কাজ। এআই এই কাজকে আরও নিখুঁত ও দ্রুত করার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে প্রযুক্তির সুবিধা কাজে লাগানোর পাশাপাশি তথ্যের যথাযথ ব্যবহার এবং নৈতিকতার প্রশ্নেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
সম্প্রতি ইউসিবি টু দ্য পয়েন্ট অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিপণন খাতের ভবিষ্যৎ, এআইয়ের প্রভাব, নৈতিক বিপণন এবং কর্মসংস্থানের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনায় এসব বিষয় তুলে ধরেন ওরাকলের এই শীর্ষ কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, তাদের কর্মজীবনের শুরুর দিকে ভোক্তার আচরণ বোঝার জন্য সীমিত পরিসরে বাজার গবেষণা করতে হতো। সাধারণত প্রায় তিন হাজার মানুষের নমুনা নিয়ে গবেষণা করে গ্রাহকের চাহিদা, পছন্দ ও বাজারের প্রবণতা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া হতো। সেই তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকের জন্য বিপণন কৌশল নির্ধারণ করা হতো। এখন প্রযুক্তির কারণে বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ করে অনেক দ্রুত ভোক্তার আচরণ বোঝা সম্ভব হচ্ছে।
তার ভাষায়, তথ্য থাকা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সেই তথ্য থেকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে রিয়েল টাইমে তথ্য বিশ্লেষণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা সাজানোর সুযোগ দিচ্ছে। বিশেষ করে ব্যক্তিকেন্দ্রিক বিপণনের ক্ষেত্রে এআই নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
এই পরিবর্তনের সঙ্গে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনব্যবস্থাও বদলে যাচ্ছে। আগে বিপণন ও বিক্রয় কার্যক্রমের বড় অংশ নির্ভর করত সরাসরি যোগাযোগ, দোকান ও প্রচলিত বিতরণব্যবস্থার ওপর। এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং সরাসরি বিক্রয় চ্যানেল পাশাপাশি কাজ করছে। গ্রাহক কখনো অনলাইনে পণ্য কিনছেন, আবার কখনো সরাসরি দোকানে গিয়ে অভিজ্ঞতা নিচ্ছেন। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে একাধিক মাধ্যমে গ্রাহকের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে হচ্ছে।
তবে এআইয়ের মাধ্যমে গ্রাহকের যত বেশি তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার বিষয়টিও তত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। রুবাবা দৌলা মনে করেন, গ্রাহকের তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে দায়িত্বশীল হতে হবে। গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা এবং সেই তথ্যের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে গ্রাহককে কার্যকর সেবা ও মূল্য দিতে হবে। তথ্য ব্যবহারের স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই এখন বিপণনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।
এ কারণে নৈতিক বিপণন ও তথ্যের সুশাসনকে তিনি ভবিষ্যৎ ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে দেখছেন।
তার মতে, একটি পণ্য বিক্রি করাই প্রতিষ্ঠানের শেষ লক্ষ্য হতে পারে না। পণ্যটি ভোক্তার জীবনে কী ধরনের মূল্য যোগ করছে, তার স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত প্রভাব কী এবং প্রচারণায় দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তব ভিত্তি কতটুকু—এসব বিষয়ও বিবেচনায় নিতে হবে। বিপণনে মানুষের প্রতি সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ থাকা প্রয়োজন।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারে পণ্যের প্রচারণা এখন অনেক সহজ। একজন উদ্যোক্তা অল্প খরচে নিজের পণ্য হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারছেন। এটি নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়ক হলেও এর সঙ্গে বাড়ছে ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের ঝুঁকি। কোনো পণ্যের কার্যকারিতা সম্পর্কে অতিরঞ্জিত দাবি, ভিত্তিহীন প্রতিশ্রুতি কিংবা এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া গ্রাহক পর্যালোচনা ভোক্তাকে বিভ্রান্ত করতে পারে।
রুবাবা দৌলার মতে, প্রযুক্তির এই সুযোগের সঙ্গে দায়িত্বশীলতার চর্চাও বাড়াতে হবে। কোনো পণ্যের এমন গুণ বা ফলাফলের দাবি করা উচিত নয়, যার পক্ষে যথাযথ প্রমাণ নেই। বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব নৈতিক নীতিমালা রয়েছে। কিন্তু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এখন বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি ও ছোট প্রতিষ্ঠান প্রচারণা চালাচ্ছে। সেখানে জবাবদিহি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। ফলে সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থার পাশাপাশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিজেদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।
এই আলোচনায় উঠে আসে বাজারে অসম প্রতিযোগিতার বিষয়টিও। যারা নিয়ম মেনে ব্যবসা করছে, কর ও ভ্যাট দিচ্ছে এবং পণ্যের মান বজায় রাখছে, তাদের সঙ্গে ভিত্তিহীন প্রতিশ্রুতি দেওয়া প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতা তৈরি হলে প্রকৃত উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হন। ভোক্তারাও প্রতারিত হন। তাই বাজারে আস্থা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় নৈতিক বিপণন এবং কার্যকর তদারকি দুটিই প্রয়োজন।

এআইয়ের প্রভাব শুধু বিপণন কৌশলেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি কর্মসংস্থান ও পেশাগত দক্ষতার ধরনও বদলে দিচ্ছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের বিপণন পেশাজীবীদের জন্য প্রযুক্তিগত জ্ঞান, তথ্য বিশ্লেষণ এবং কৌশলগত চিন্তার গুরুত্ব বাড়ছে। রুবাবা দৌলার মতে, এআই মানুষের কাজের ধরন পরিবর্তন করবে। যারা নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করতে পারবেন না, তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। অন্যদিকে দক্ষ কর্মীরা এআইকে ব্যবহার করে কাজের উৎপাদনশীলতা ও সৃজনশীলতা বাড়াতে পারবেন।
তিনি মনে করেন, ভবিষ্যতের বিপণন পেশাজীবীদের শুধু প্রচলিত মার্কেটিং জ্ঞান থাকলে চলবে না। তথ্য সম্পর্কে ধারণা, ডেটা অ্যানালিটিকস, প্রযুক্তির ব্যবহার, সমালোচনামূলক চিন্তা এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। এআই দিয়ে কনটেন্ট বা প্রচারণার ধারণা তৈরি করা সহজ হলেও সেই ধারণার যথার্থতা, প্রাসঙ্গিকতা ও মৌলিকত্ব যাচাই করার জন্য মানুষের নিজস্ব বিচারবোধ প্রয়োজন। প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে, কিন্তু প্রযুক্তির ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হওয়া যাবে না।
এখানে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে দূরত্ব কমানোর বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
রুবাবা দৌলা বলেন, নতুন স্নাতকদের অনেকেরই শিক্ষাজীবনে অর্জিত জ্ঞানের সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনীয় দক্ষতার ব্যবধান থাকে। নিয়োগের সময় প্রত্যাশিত দক্ষতাসম্পন্ন প্রার্থী পাওয়া কঠিন হয়। বিশেষ করে যোগাযোগ দক্ষতা ও বিশ্লেষণী চিন্তায় ঘাটতি দেখা যায়। এ সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমকে সময়োপযোগী করার পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে প্রশিক্ষণ ও বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।
তার মতে, তরুণদের কর্মজীবনে প্রবেশের জন্য প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ বাড়ানো জরুরি। অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের মেন্টর হিসেবে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ শুধু সনদ বা ডিগ্রি দিয়ে বর্তমানের প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে টিকে থাকা সম্ভব নয়। বাস্তব দক্ষতা ও প্রযুক্তির ব্যবহার জানতে হবে।
পেশাগত জীবনে নিজেকে প্রাসঙ্গিক রাখার জন্য আজীবন শেখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি। তার মতে, কোনো নির্দিষ্ট বয়সে বা পদে পৌঁছানোর পর শেখার প্রয়োজন শেষ হয়ে যায় না। প্রযুক্তি, বাজার ও ভোক্তার আচরণ বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে নিজের দক্ষতাও হালনাগাদ করতে হবে। নিয়মিত প্রশিক্ষণ, নতুন বিষয় শেখা এবং পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। একজন পেশাজীবীর মধ্যে আজীবন শিক্ষার্থী হওয়ার প্রবণতা থাকা প্রয়োজন।
নারী নেতৃত্বের প্রসঙ্গেও তিনি দক্ষতা তৈরির ধারাবাহিকতার ওপর জোর দেন। তার মতে, নেতৃত্বের জন্য প্রয়োজনীয় ভিত্তি তৈরি করতে হবে শিক্ষার প্রাথমিক পর্যায় থেকেই। স্কুল-কলেজে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, তথ্য বিশ্লেষণ ও এআই ব্যবহারের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচিত করতে হবে। একই সঙ্গে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেকের জন্য দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। ডিজিটাল অর্থনীতিতে শারীরিক সক্ষমতার চেয়ে জ্ঞান, চিন্তাশক্তি ও দক্ষতার গুরুত্ব বাড়ছে। ফলে প্রস্তুত ও দক্ষ মানুষদের সামনে নেতৃত্বে যাওয়ার সুযোগও বাড়ছে।
তবে ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে মানুষের প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করেন না তিনি। বরং সৃজনশীলতা, সহমর্মিতা, সমালোচনামূলক চিন্তা ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো মানবিক সক্ষমতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। এআই তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে, কাজের গতি বাড়াতে পারে; কিন্তু মানুষের প্রয়োজন ও অনুভূতি বোঝার ক্ষেত্রে মানবিক বিচারবোধের গুরুত্ব থেকেই যাবে।
রুবাবা দৌলার দীর্ঘ করপোরেট অভিজ্ঞতার আলোকে একটি বিষয় স্পষ্ট, প্রযুক্তির পরিবর্তনকে গ্রহণ করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীলতা ধরে রাখতে হবে। বিপণনের ভবিষ্যৎ শুধু উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর নির্ভর করবে না; নির্ভর করবে সেই প্রযুক্তি কতটা কার্যকর, নৈতিক ও মানুষের উপযোগী করে ব্যবহার করা হচ্ছে তার ওপর। তার দৃষ্টিতে, এআইয়ের যুগে এগিয়ে থাকার মূল শক্তি হবে প্রযুক্তিগত দক্ষতা, কৌশলগত চিন্তা এবং মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়।
(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই–এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…


