ভিটেমাটি বেদখল, গানও বেহাত—তবু অমলিন ‘ভ্রমর কইও গিয়া’ গানের রাধারমণ

ভিটেমাটি বেদখল, গানও বেহাত—তবু অমলিন ‘ভ্রমর কইও গিয়া’ গানের রাধারমণ

রাধারমণের গানের পাণ্ডুলিপি না থাকলেও লোকমুখে ছড়িয়ে থাকা গান সংগ্রহে উদ্যোগী হয়েছিলেন কয়েকজন গবেষক। তাঁদের প্রচেষ্টায় সংরক্ষিত হয়েছে তাঁর হাজারো গান। রাধারমণের গানের উল্লেখযোগ্য সংগ্রাহকদের মধ্যে রয়েছেন গুরুসদয় দত্ত, মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন, মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন, যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য, আবদুল গফফার চৌধুরী, চৌধুরী গোলাম আকবর, বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী ও নন্দলাল শর্মা। তবে এসব মনীষীর উদ্যোগ সত্ত্বেও ভিটেমাটির মতো রাধারমণের গানও বেহাত হয়েছে। অন্য গীতিকারের ভণিতা যুক্ত করে রাধারমণের গান গাওয়ার নজিরও কম নয়। আবার অজ্ঞতাবশত অনেক শিল্পী অন্যের গানও রাধারমণের নামে প্রচার করছেন।
শিল্পী-শ্রোতাদের কাছে রাধারমণের অনেক গানই জনপ্রিয়। এর মধ্যে উল্লেখ করা যায়, ‘ভ্রমর কইও গিয়া, শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদে রাধার অঙ্গ যায় জ্বলিয়া’, ‘আমার বন্ধু দয়াময়, তোমারে দেখিবার মনে লয়’, ‘জলের ঘাটে দেইখা আইলাম কী সুন্দর শ্যামরায়’, ‘জলে যাইও না গো রাই’, ‘আমি কারে বা দেখাব মনের দুঃখ গো হৃদয় চিরিয়া’, ‘আমার কৃষ্ণ কোথায় পাই গো, বল গো সখী কোন দেশেতে যাই’, ‘শ্যাম কালিয়া সোনা বন্ধু রে’, ‘আমার বন্ধু বিনোদিয়া’ এবং ‘আমারে আসিবার কথা কইয়া, মান করে রাই রইয়াছো ঘুমাইয়া’।

Scroll to Top