খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমি ও ইকবাল মাহমুদ ছাড়াও এ গ্রামের বিত্তশালীদের মধ্যে আজাহার শিকদার, সেলিম আল মামুন, মিজানুর রহমান, মজনু শিকদার, শফিকুল ইসলাম, শুভ প্রামাণিক বড় অঙ্কের টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। গ্রামের সবার কাছেই জমি কেনার জন্য অর্থসহায়তা চাওয়া হয়। গ্রামবাসী কেউ ২০০ টাকা, কেউ ৫০০ টাকা, কেউ ১ হাজার টাকা, কেউ কেউ তাঁদের সামর্থ্য অনুযায়ী ২ হাজার, ৫ হাজার ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দেন।’
পরে এই গ্রামের ইকবাল হোসেন সুজনের ৬০ শতাংশ জমি কিনে নেওয়া হয়। প্রতি শতাংশ জমির দাম ধরা হয় ৫২ হাজার টাকা করে। তিনি ১ শতাংশ জমি দান করেন। বৃহস্পতিবার তিনি জমিটি বুঝিয়ে দেন। গ্রামবাসী বাদ্য বাজিয়ে ওই জমি বুঝে নেন। সেখানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। দিনব্যাপী চলে আনন্দ–উৎসব।

