বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর জ্বালানির দাম ৩২ শতাংশ বাড়তে পারে। এরপর ২০২৭ সালে দাম কিছুটা কমতে পারে। এই পূর্বাভাস দেওয়ার সময় ধরে নেওয়া হয়েছে, ইরান ও ইউক্রেনের সংঘাত আবারও তীব্র হবে না।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সারের দাম হু হু করে বেড়েছে। এই যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। জবাবে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের ওপর হামলা চালায় ইরান। দেশটি হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলও কার্যত আটকে দেয়। এই প্রণালি তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও সার সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, এল নিনো খুব শক্তিশালী হলে কিংবা রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে কৃষ্ণসাগরে খাদ্যশস্যের ওপর হামলা বাড়লে ‘খাদ্যসংকট’ দেখা দিতে পারে। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম আরও বেড়ে গেলেও এমন সংকট হতে পারে।
