বার্তা সংস্থা রয়টার্সের গত শুক্রবারের এক জরিপের তথ্যমতে, লিকুদ ও ইয়াশার ২২টি করে, টুগেদার ১৪টি এবং ডেমোক্র্যাটস ও জয়েন্ট লিস্ট ৯টি করে আসন পেতে পারে। জিউইশ পাওয়ার, শাস ও ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম ৮টি, ইসরায়েল বেইতেনু ও রিলিজিয়াস জায়োনিজম ৭টি করে এবং রা’আম ৫টি আসন পেতে পারে।
এ হিসাবে নেতানিয়াহুর শিবিরের ৫৩ এবং বিরোধী শিবিরের ৫২টি করে আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মানে কোনো জোটেরই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী আরব দলগুলোর সমর্থন সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
তবে আইজেনকটসহ অধিকাংশ বিরোধী নেতা তাঁদের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। সমঝোতা না হলে আবার নির্বাচন হতে পারে। তত দিন তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারেন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু এ পর্যন্ত ছয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আবার সরকার গড়তে পারলে হবে সপ্তম মেয়াদ।


