তুরস্ক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী। তিনি জানান, অনেক দিন ধরেই তুরস্ক ভ্রমণের ইচ্ছা ছিল তার। শুধু তাই নয়, এই সফরে তার ছোটবেলার আকাঙ্ক্ষাও পূরণ হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে আজহারী লেখেন, টানা দুই সপ্তাহের দীর্ঘ সফরে তুরস্কের তিনটি ঐতিহাসিক শহর— ইস্তাম্বুল, আঙ্কারা এবং বুরসা দেখার সুযোগ হয়েছে। এ সফর নতুন এক স্মৃতির অধ্যায় রচনার পাশাপাশি সমৃদ্ধ করেছে আমার অভিজ্ঞতার ঝুলিকেও।
তিনি আরও লেখেন, ইস্তাম্বুলের তোপকাপি প্যালেস পরিদর্শনের আকাঙ্ক্ষা ছিল সেই ছোটবেলা থেকেই। এই সফরে এই শখটিও পূরণ হয় আলহামদুলিল্লাহ। এই প্যালেসে অবস্থিত একটি জাদুঘরে রাসুলুল্লাহ (স.)-এর পবিত্র চুল ও দাড়ি মুবারক, চাদর, তরবারি, জুতা, দন্ত মোবারকের অংশ ও পায়ের ছাপ-সহ নবী পরিবারের ব্যবহৃত নানা পবিত্র স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষিত আছে।
আজহারী জানান, ১৫১৭ সালে উসমানী সুলতান প্রথম সেলিমের মাধ্যমে এবং পরবর্তীতে ১৯১৭ সালে মদিনার উসমানী গভর্নর ফখরি পাশার নেতৃত্বে হিজাজ রেলওয়ের একটি বিশেষ ট্রেনে করে কঠোর নিরাপত্তায় রাসুলের পবিত্র স্মৃতিচিহ্নগুলো ইস্তাম্বুলের তোপকাপি প্যালেসে নিয়ে আসা হয়। সেই সময় থেকে আজ অবধি পবিত্র এই জিনিসগুলো এই মিউজিয়ামেই সংরক্ষিত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, নবীজির একজন প্রিয় সাহাবি আবু আইয়ুব আল আনসারী (রা.) শুয়ে আছেন ইস্তাম্বুলের আইয়ুব সুলতান মসজিদের পাশে। এই সফরে উনার কবর জিয়ারতের সৌভাগ্য হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। বিখ্যাত এই সাহাবি তুর্কিদের কাছে আইয়ুব সুলতান হিসেবে প্রসিদ্ধ। আল্লাহর রাসুল মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনায় গিয়ে এই আবু আইয়ুব আল আনসারী (রা.)-এর বাড়িতেই অবস্থান নিয়েছিলেন।



