বাকি গল্প সিনেমার গল্পের মতো। মেসি পেয়েছেন এমন কিছু খেলোয়াড়, যাঁরা তাঁর জন্য জীবন দিয়ে দিতেও প্রস্তুত। মাঠে তো কোনো কথাই নেই। ২০২২ বিশ্বকাপটা তাই আর্জেন্টাইন ভক্তদের কাছে স্বপ্নের থেকেও বেশি কিছু। কাতারের বিশ্বকাপটা লিওনেল মেসি নিজের করে নিলেন। ৭ ম্যাচে ৭ গোল, ৩ অ্যাসিস্ট—গোল্ডেন বলের জন্য এর থেকে যোগ্য ছিল না কেউ। ফ্রান্সকে হারিয়ে পেলেন নিজের পরম আরাধ্য, বিশ্বকাপ শিরোপা। মারিও কেম্পেস, ডিয়েগো ম্যারাডোনার পাশে আর্জেন্টিনার ইতিহাসে নিজের নামটা লিখে রাখলেন আজীবনের মতো। দুই দশকের ক্যারিয়ার পূর্ণতা পেল সেদিন।
মেসি চাইলে সেদিনই বুটজোড়া তুলে রাখতে পারতেন। বলেছিলেনও, তাঁর জীবনে পাওয়ার আর কিছু নেই। তবু মেসি খেলেছেন, ২০২২ বিশ্বকাপের পর কোপা আমেরিকা জিতেছেন আরেকবার, জিতেছেন ফিনালেসিমাও। তবু মেসি আরেকবার চেষ্টা করলেন, আমেরিকার মাটিতে আরেকটি বিশ্বকাপ ছিনিয়ে আনার। চেষ্টা করেছিলেন সর্বোচ্চ। ৮ ম্যাচে ৮ গোল আর ৪ অ্যাসিস্ট করে আবারও একক প্রচেষ্টায় দলকে নিয়ে গেলেন ফাইনালে। কিন্তু তিরে এসে এবার আর তরী ভেড়াতে পারলেন না। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে থমকে গেল আর্জেন্টিনা। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলা মেসি পেরোতে পারলেন না ফাইনালের বাধা।

