
অবশেষে সমাপ্তি হল এক কিংবদন্তির আন্তর্জাতিক অধ্যায়। আগেই অবসরের ঘোষণা দিয়ে, সকালে বিদায়ী ম্যাচে নেমেছিলেন লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে পুরো অবদান রেখেছিলেন আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক।
৮৫ হাজারের বেশি দর্শকে কানায় কানায় পূর্ণ বুয়েন্স আয়ার্সের মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম। ম্যাচজুড়ে ছিল মেসিকে ঘিরে আবেগের ঢেউ, সে ম্যাচে দুই অ্যাসিস্ট এবং এক গোল করেন তিনি। ম্যাচের ১০ মিনিটে খেলা থামিয়ে মেসিকে দেয়া হয় সম্মান। ম্যাচ শেষে সংবর্ধনা দেয়া হয় মেসিকে। সে সময় সমর্থক, সতীর্থ এবং কোচিং স্টাফদের উদ্দেশ্যে কথা বলেছেন মেসি।
মেসি বলেছেন, ‘বিদায়ী চিঠিতে যেমনটা বলেছিলাম, আমি কেবল কৃতজ্ঞতাই জানাতে পারি। ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই জার্সি গায়ে জড়াতে পারাটা ছিল অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এমনকি সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তগুলোতেও, যেগুলোর মধ্য দিয়ে আমরা গিয়েছি বা আমি নিজে পার হয়েছি। আমি কখনোই লড়াই করা বা সংগ্রাম করা থামাইনি। সবসময় নিজের সর্বস্ব দিয়েছি এবং দলের পাশে থাকার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেছি। আর এখানে না আসাটা হবে ভীষণ কষ্টের।’
‘সত্যি বলতে, আমি সারা জীবনই এখানে আসতে চাই। আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়ে খেলাটা একজন মানুষের জীবনে ঘটতে পারা সবচেয়ে চমৎকার ঘটনা। যেমনটা বলেছি, আমি সারা জীবনই এখানে থাকতে চেয়েছিলাম, কিন্তু এখন সময় এসেছে সরে দাঁড়ানোর।’
‘আমি আগের চেয়ে অনেক বেশি কথা বলছি। আমি এখান থেকে যেতে চাই না, মাঠ ছেড়েও যেতে চাই না। আমি তোমাদের ভালোবাসি, তোমাদের খুব মনে পড়বে। আর্জেন্টাইন হওয়ার জন্য আমি ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ। আর্জেন্টাইন হিসেবে এবং আমার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে আমি গর্বিত। আমি তোমাদের ভালোবাসি।’
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…

