
ঢাকা, ০২ অক্টোবর – বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের ঠিক আগে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের বক্তব্য দেন তিনি। সেখানে জনগণের পাশে থাকার কথা জানানোর পাশাপাশি নিজের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান আখতারুজ্জামান।
কী বললেন আখতারুজ্জামান?
গ্রেপ্তারের আগে দেওয়া ভিডিও বার্তায় আখতারুজ্জামান বলেন, তাকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছে। দেশবাসীর উদ্দেশে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি নিজের জন্য দোয়া করতে বলেন।
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, জনগণের জন্য এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি। বিশেষ করে প্রবাসীদের স্বার্থরক্ষার বিষয়টিও উল্লেখ করেন আখতারুজ্জামান।
তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকারের সংগ্রামে তিনি আছেন এবং যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন। জনগণের জন্য কাজ করা এবং প্রয়োজন হলে জীবন উৎসর্গ করার কথাও বলেন তিনি।
কেন গ্রেপ্তার করা হলো?
উৎসের তথ্য অনুযায়ী, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
শুক্রবার বিমানবন্দর থানায় মামলাটি দায়ের করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজীব।
তবে মামলায় ঠিক কোন কোন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়ে প্রদত্ত তথ্যের মধ্যে সুনির্দিষ্ট ধারা উল্লেখ নেই। ফলে প্রকাশের আগে মামলার এজাহার বা পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য থেকে বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।
বিমানবন্দরকে ঘিরে কী ঘটেছিল?
মামলার অভিযোগের সূত্র ধরে জানা যাচ্ছে, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি-সংক্রান্ত পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বে থাকা এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও মামলায় আনা হয়েছে বলে উৎসে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন দাবি করার সুযোগ নেই। মামলার অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়াতেই বিষয়টির বিস্তারিত নির্ধারিত হবে।
ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার
মামলা দায়েরের দিনই আখতারুজ্জামানকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে বলে দেওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। গ্রেপ্তারের আগে নিজের ফেসবুক লাইভে বক্তব্য দেন তিনি।
গ্রেপ্তারের পর তাকে কোথায় নেওয়া হয়েছে, তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী হবে এবং আদালতে তাকে কবে হাজির করা হবে—এসব বিষয়ে প্রদত্ত উৎসে বিস্তারিত তথ্য নেই।
এরপর কী হতে পারে?
মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় তদন্ত, আদালতে হাজিরা এবং অভিযোগের বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
এদিকে, গ্রেপ্তারের আগে দেওয়া তার ভিডিও বার্তাটি ইতিমধ্যেই এই ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তবে ভিডিওতে তার বক্তব্য এবং মামলায় আনা অভিযোগ—দুই বিষয়কে আলাদা করে দেখা জরুরি।
আখতারুজ্জামানকে কবে গ্রেপ্তার করা হয়?
দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে তাকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তারের আগে কী বলেছিলেন?
ফেসবুক লাইভে তিনি জানান, ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চান এবং জনগণ ও প্রবাসীদের স্বার্থে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।
আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে কেন মামলা হয়েছে?
দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে মামলা হয়েছে।
মামলা কোথায় হয়েছে?
মামলাটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-সংলগ্ন বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা হয়েছে বলে উৎসে উল্লেখ রয়েছে।
অভিযোগগুলো কি প্রমাণিত?
না। এগুলো মামলায় করা অভিযোগ। তদন্ত ও পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।



